Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৬ জুন, ২০১৬ ২২:১৫
উৎসবের আগে অন্দরসাজ
উৎসবের আগে অন্দরসাজ

ঈদের আগের বাড়ির মেকওভার; বাড়ির সাজে তো পূর্ণতা থাকতেই হয়! বিশাল কিছু নয়, বাড়িতে ছোটখাটো পরিবর্তন যেমন- পর্দা, সোফার কভার, কুশন কভার, বেডস্প্রেড বদলে নিলেই অন্দরমহলের চেহারা বদলে যাবে। লিখেছেন— সাদিয়া সারা

 

উৎসবকে ছাপিয়ে পরিকল্পনার কমতি নেই। কখন কি ধরনের সাজে নিজেকে রাঙাবেন তার প্ল্যানিং তো করে ফেলেছেন। এমনকি ইন্টারনেট, লাইস্টাইল ম্যাগাজিন ও পত্রিকা দেখে হেয়ারকাট, স্টাইল, মেকআপ সবই রপ্ত করে ফেলেছেন। মানে এবারের ঈদ তুঙ্গে। আর হবেই না কেন; ঈদ তো বারবার আসে না। ঈদে বাড়ির অন্দরের কিছু পরিবর্তন না আনলেই নয়। এর জন্য হিসাব কষতে হবে না, এখানেই তো অন্দরসাজের মুনশিয়ানার পরিচয়। বাড়ির রং, আসবাব পাল্টানো তো মুখের কথা নয়। কিন্তু পর্দা, সোফার কাভার, ব্লাইসড, কুশন কাভার, বেডস্প্রেস তো বদলানো যেতেই পারে। আসলে অন্দরসাজ তখনই পূর্ণতা আসবে যখন আসবাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঘর সাজাবেন।

প্রথমেই আসি পর্দার প্রসঙ্গে। আগের দিনে পুরনো শাড়ি কিংবা বিছানার চাদর কেটে পর্দা করলেই হতো। এখন অবশ্য ভারী স্যাটিন থেকে শুরু করে সুতি কিংবা শিফন এমনকি সাবেকি ধাঁচের চিক বা ফাইবার ব্লাইন্ডস এক্সপেরিমেন্টের সুযোগ প্রচুর। তবে পর্দা বানানো কিংবা কেনার আগে বাড়ির দরজা কিংবা জানালার মাপটা যেন ঠিক থাকে। মেঝে থেকে সামান্য উপর অবধি পর্দার ঝুল স্মার্ট সলিউশন। ঘর বুঝে ফেব্রিক বাছুন। বেডরুমের পর্দা একটু ভারী হলেই ভালো; প্রাইভেসি থাকে। স্যাটিন কিংবা সুতির ফেব্রিক নিতে পারেন। অপশন হিসেবে রয়েছে চেইকস, স্ট্রাইপস, জিওমেট্রিক প্যাটার্ন। ড্রইংরুমে বেছে নিতে পারেন কেতাবি চিক, বাহারি শিফন, কিংবা কর্পোরেট ফাইবার ব্লাইন্ডস। রঙেও রাখুন বৈচিত্র্য। ঘরের রং বেজড কিংবা কোনো নিউট্রাল শেড ভালো মানাবে। লাল, পান্না সবুজ, হলুদ, সানসেট অরেঞ্জ, শেড ঘরে উজ্জ্বল মুড আনবে। আবার সাদা কিংবা  অফ হোয়াইট টোনও ভালো মানাবে।

পর্দার সঙ্গে সোফার কভারও বদলে ফেলুন। স্ট্রিজ হলে খুব একটা বদলানো প্রয়োজন পড়ে না। মাপ অনুযায়ী বানিয়ে নিতে হয়। উৎসব বলে কথা তাই, একবারের জন্য ভিন্ন রঙের কভার লাগানোই বাঞ্ছনীয়। ঘরের রঙের সঙ্গে মিল থাকে যেন। যেমন- ঘরের রঙ যদি নিউট্রাল বা প্যাস্টেল শেডের হয়, তবে করাল, টারকয়াজ, কমলা রংয়ের কথা ভাবতে পারেন। আবার দেয়াল গাঢ় রঙের হলে সোফায় কভার ম্যাট শেড রাখুন। সেই সঙ্গে সোফার রঙের সামঞ্জস্য রেখে কুশনও বাছুন। সাদা বা সফট টোনের সোফায় মাল্টিকালার ভালো মানাবে। অ্যামব্রয়ডারি করা কুশনও বেশ জনপ্রিয়। কুশনের ফেব্রিকেও রয়েছে নানা প্যাটার্ন। সুতি থেকে সিল্ক, স্যাটিন সবই থাকছে। বেত কিংবা কাঠের সোফায় কিন্তু সুতিই পারফেক্ট। একইভাবে বিছানার চাদর, টেবিলের কভারও বদলে ফেলুন। এ ছাড়া অন্দরের রূপকাহনে কার্পেটের আভিজাত্যই আলাদা। কাঠের মেঝেতে যতটা ভালো লাগে টাইলস কিংবা মার্বেলের মেঝেতে ততটাই মানানসই। পুরু কাশ্মীরি ছাড়াও রয়েছে বাহারি শতরঞ্জি। রং হিসেবে বেছে নিন লাল, সবুজ, নীল, খয়েরি কিংবা বেগুনি। এ ছাড়া পাট, রেক্সিন, প্লাস্টিক, পাতলা রাবার বা অন্যান্য সিনথেটিকের কার্পেটও ব্যবহার করতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
up-arrow