Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ২৩ জুন, ২০১৬ ২২:০৭
জেনে রাখুন
ডিপ্রেশনে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম
ফ্রাইডে ডেস্ক
ডিপ্রেশনে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম

ডিপ্রেশন বা অ্যাংজাইটি। গর্ভবতী নারীর মাতৃত্বের ঝুঁকির অন্যতম কারণ। আমরা সবাই জানি, ধূমপানে গর্ভবতী নারীর ক্ষতি হয়। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে গর্ভধারণের ঝুঁকি থাকে। স্বাভাবিক নারীদের তুলনায় ডিপ্রেশনে থাকা নারীদের গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় ৩৮ শতাংশ কম। অর্থাৎ ডিপ্রেশনে ‘মা’ হওয়ার সম্ভাবনা কমে। বেশির ভাগই গর্ভবতী নারীর মাঝে রাগ, দুঃখ, অ্যাংজাইটি বা ডিপ্রেশন এসব গর্ভবতী নারীদের ক্ষতি হয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ‘মা’ হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দিতে পারে। তবে মানসিক চাপ কমানোর ওষুধ গ্রহণের সঙ্গে ফলাফলের কোনো সম্পর্ক নেই। গর্ভধারণে অক্ষম নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের অক্ষমতা আর মানসিক চাপ কমানোর ওষুধের মধ্যে আগের গবেষণায় সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন ইউনিভার্সিটি স্কুলস অফ পাবলিক হেলথ অ্যান্ড মেডিসিনের সহকারী অধ্যাপক ইয়েল নিলনি বলেন, গর্ভধারণের ক্ষমতার ওপর ডিপ্রেশন চাপ কমানোর ওষুধের কোনো ক্ষতিকারক প্রভাব আমরা লক্ষ করিনি। তিনি আরও বলেন, আমাদের গবেষণা ইঙ্গিত করে ওষুধ খাওয়া হোক বা না হোক, মৃদু থেকে তীব্র দুশ্চিন্তাগ্রস্তদের গর্ভধারণে বিলম্ব হতে পারে। আমেরিকান জার্নাল অফ অবস্টেটরিকস অ্যান্ড গাইনোকলজি নামক জার্নালে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়। ডিপ্রেশন কেন গর্ভধারণে বিলম্ব সৃষ্টি করে। গবেষকরা এর সম্ভাব্য কয়েকটি কারণ খুঁজে পেয়েছেন। নেগেটিভ ইমোশনগুলোর সঙ্গে প্রেগনেন্সির যোগাযোগ রয়েছে। ডিপ্রেশনের সঙ্গে ‘হাইপোথ্যালামিক-পিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল অ্যাক্সিস’-এর কার্যক্ষমতা নষ্টের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে ঋতুচক্রের ওপর প্রভাব ফেলে এবং গর্ভধারণের ক্ষমতা নষ্ট করে। গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য নেওয়া হয় ‘পিআরইএসটিও (প্রেগনেন্সি স্টাডি অনলাইন) নামক আরেকটি গবেষণা থেকে। গর্ভধারণের ক্ষমতাকে কোন বিষয়গুলো প্রভাবিত করে তা নিয়ে ২১ থেকে ৪৫ বছর বয়সী এবং সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন এমন ২ হাজার ১০০ নারী নিয়ে এই গবেষণা করা হয়। গবেষণায় তাদের বর্তমান দুশ্চিন্তার মাত্রা, ওষুধ নিচ্ছেন কিনা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

সমাধান ও প্রতিরোধ

গর্ভাবস্থায় ডিপ্রেশন এড়াতে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ তো খাবেনই সেই সঙ্গে স্ট্রেস ও ডিপ্রেশন কাটিয়ে ওঠাও জরুরি। এ ক্ষেত্রে নিয়মিত মেডিটেশন ও যোগাসন করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠেই ফাঁকা জায়গায় বুক ভরে নিঃশ্বাস নিন। এককীত্ব কাটিয়ে উঠতে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। জাঙ্কফুড এড়িয়ে চলুন। তেলেভাজা খাবারও বর্জন করুন। ধূমপান তো একেবারেই না। যতটা সম্ভব নিজের আনন্দে রাখার চেষ্টা করুন।




সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
up-arrow