Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৭

প্রকাশ : শুক্রবার, ১ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩০ জুন, ২০১৬ ২২:২২
এখন চুলের নতুন ঢং
এখন চুলের নতুন ঢং
মডেল : অন্তরা

ঈদের আগে চুল নিয়ে অনেকেই অনেক রকম পরিকল্পনা করছেন। সোজা চুল করেছেন কোঁকড়ানো। আবার অনেকেই কালো চুলে এনেছেন রঙিনের ছোঁয়া। সব মিলিয়ে ঈদের সাজে ট্রেন্ডি হওয়ার চেষ্টায় সবাই

 

বন্ধুবান্ধবদের আড্ডায়, পাড়া প্রতিবেশীদের প্রশংসায় যদি ঈদ রাঙানো না যায় তাহলে দিনটাই মাটি। সে জন্য সবার ব্যস্ততা থাকে নানান ঢঙে নিজেকে সাজানোর। মেয়েদের সৌন্দর্যের অন্যতম দিক চুল। তাই বিভিন্ন উপলক্ষে চুলের সাজেও আসে ভিন্নতা। উৎসবকেন্দ্রিক সাজে চুল নিয়েও চলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তবে, চুল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা যতই করুন না কেন, তার কিছু  যত্নআত্তিও তো করতে হয়। ঈদের ব্যস্ততায় অনেকেই চুলের যত্নের দিকে বিশেষ নজর দিতে পারেননি, যতটা দিয়েছেন স্টাইলিংয়ের আউটফিটে। কালারিং, স্টেটনিং বা কার্লিংয়ের পরে দরকার বিশেষ যত্ন। ঠিক কি ধরনের যত্ন দরকার তা জেনে নিতে পারেন বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে। তা ছাড়া ঘরোয়া পরিচর্যার পাশাপাশি পার্লারে গিয়ে হেয়ার ট্রিটমেন্টও করিয়ে নিতে পারেন। এসব কিছুই ঈদে চুলের উজ্জ্বলতা বজায় রাখার জন্য।

কালারিংয়ের ক্ষেত্রে

হেয়ার কালারিংয়ের পরে চুলের যথাযথ যত্ন নেওয়া জরুরি। যত্নের অভাবে চুলের স্বাভাবিক জেল্লা বিলীন হতে পারে। তা ছাড়া চুল পড়ার সমস্যা তো আছেই। হেয়ার কালারিংয়ের পরে যে  প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন, সেগুলো যেন মাইল্ড হয়। কালারিংয়ের পরে সুইমিং এড়িয়ে চলুন। রং ধরে রাখতে কালার প্রোটেকশন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন। এতে উজ্জ্বল ও ঘন দেখাবে। কন্ডিশনারের ক্ষেত্রে প্রোটিনসমৃদ্ধ কন্ডিশনার বেছে নিন। এতে চুল পুষ্টি পাবে। নরম ও মজবুত হবে। কন্ডিশনার লাগিয়ে অবশ্যই পাঁচ মিনিট রাখবেন। এরপর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। চুলকে উজ্জ্বল দেখানোর জন্য সেরাম ব্যবহার করতে পারেন। সাধারণত এর রং ছ’মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ছ’মাস পরও রং ধরে রাখতে টোনিং করাতে হবে। চুল কালারিংয়ের আগে চুলের অবস্থা বুঝে নিন। রুক্ষ কিংবা ভঙ্গুর চুলে কালারিং না করাই ভালো। সে ক্ষেত্রে চুলের প্রয়োজন সঠিক ট্রিটমেন্টের।

স্ট্রেটনিং করা

ঈদের মৌসুমে অনেকেই চুল স্ট্রেটনিং করান। তবে এখন স্ট্রেটনিংয়ের বদলে ওরাপেক্স ট্রিটমেন্টের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। স্ট্রেটনিং বা পারমিংয়ের বদলে এখনো আরও মাইল্ড ট্রিটমেন্টের   সাহায্য নিচ্ছেন অনেকে। চুলে কেরাটিন ট্রিটমেন্ট তাই আজকাল খুবই জনপ্রিয় হচ্ছে। কেরাটিন চুলকে মসৃণ করে। চুল আঁঁচড়ানোর সময় শক্ত ব্রাশ ব্যবহার করবেন না। প্রথমে হালকা হাতে আঙুল দিয়ে জট ছাড়িয়ে নিন। চুলের এক এক গোছা আলাদা করে আঁঁচড়ান। জোরে জোরে আচড়ালে চুল ছিঁড়ে যেতে পারে।

যদি কার্লিং করান

চুলে কার্লিং করালেও প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। কোঁকড়নো চুল সাধারণত শুষ্ক হয়। তবে সঠিক পরিচর্যা করলে কোঁকড়ানো চুল যথেষ্ট আবেদনপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এ ক্ষেত্রেও একইভাবে সঠিক প্রোডাক্ট ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। এমন প্রোডাক্ট বাছবেন, যেগুলো চুলকে আর্দ্র রাখবে। কোঁকড়া চুলে আয়রনিং করবেন না। এতে চুলের নমনীয়তা হারিয়ে যাবে, চুল ফ্রিজি হয়ে যাবে। স্টাইলিং ক্রিম ও সেরাম একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে চুলে লাগান। দেখবেন, এতে কোঁকড়ানো চুল আরও বাউন্সি লাগবে।

ঘরোয়া যত্নের টিপস

বাড়িতেও নিয়মিত চুলের যত্ন নেবেন। যাদের চুল একটু বেশিই রুক্ষ হয়ে গেছে তারা সপ্তাহে একবার ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট করলে ভালো হয়। একটা ডিম এক টেবিল চামচ, ক্যাস্টর অয়েল, এক টেবিল চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধু মিশিয়ে স্ক্যাল্পে ও চুলে ম্যাসাজ করুন। প্লাস্টিক শাওয়ার ক্যাপ পরে এক ঘণ্টা থাকুন। তারপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন করার পর দেখবেন চুল আগের চেয়ে নরম, এমনকি উজ্জ্বলতাও বাড়বে। একটা ডিম এক টেবিল চামচ, ক্যাস্টর অয়েল, এক টেবিল চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধু মিশিয়ে স্ক্যাল্পে ও চুলে ম্যাসাজ করুন। প্লাস্টিক শাওয়ার ক্যাপ পরে এক ঘণ্টা থাকুন। পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন করার পর দেখবেন চুল আগের চেয়ে নরম ও জেল্লা বাড়বে।

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
up-arrow