Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২১ জুলাই, ২০১৬ ২১:৪৭
জেনে রাখুন
অ্যালকোহলের আসক্তি কমাতে
ফ্রাইডে ডেস্ক
অ্যালকোহলের আসক্তি কমাতে

পার্টিতে গিয়ে হুল্লোড়ের সঙ্গে মদপান করেন, এমন মানুষের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। অ্যালকোহল সাময়িক স্টেস কমাতে সাহায্য করে। ফলে হাসিমুখে সবার সঙ্গে মিশতে পারেন। তবে, বাড়াবাড়ি রকমের মদপান করলে তা মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতির কারণ হতে পারে। দিনে দুটোর বেশি ড্রিংক বা সপ্তাহে চারবারের বেশি অ্যালকোহল পান করলে হতে পারে নানা রকম প্রতিক্রিয়া। অন্য যে কোনো চিনির মতো অ্যালকোহলেও থাকে অত্যধিক ক্যালরি। ১ গ্রাম পানীয়তে ৭ ক্যালরি থাকে। বিয়ার, ওয়াইন বা মিক্সড ড্রিংকে ব্লাড সুগারের মাত্রা যেমন উঠানামা করে, তেমনি পরিবর্তন হতে পারে মানসিকতারও। জেনে রাখা প্রয়োজন, অ্যালকোহল আর ফ্যাট হজম করে একমাত্র লিভার। আর ফ্যাট মেটাবলিজম থেকে অ্যালকোহল মেটাবলিজমকেই লিভার গুরুত্ব বেশি দিয়ে থাকে। ফলে ফ্যাট মেটাবলিজমের গতি কমতে থাকে ও ওজন বাড়তে থাকে। অ্যালকোহল খুব দ্রুত শরীরে পরিলক্ষিত হয় বলে গ্লুকোজ টলারেন্সের মাত্রাও কমিয়ে দেয়। ফলে হঠাৎ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়া বা ডিপ্রেশনে ভোগাও অসম্ভব নয়। যদি ওজন নিয়ে চিন্তিত থাকেন, তাহলে অ্যালকোহল দূরে সরিয়ে রাখাই ভালো। আবার কেউ কেউ যদি নিয়মিত ড্রিংক করেন তাহলে ডিটক্সিফিকেশনের জন্য ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট আর ডিটক্স ডায়েটের খুব প্রয়োজন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ডিটক্সিফিকেশনের শুরুতেই পুষ্টিগত অভাবের দিকটা দূর করতে হবে। অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টিকর উপাদান ও নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া এর মূলমন্ত্র। আপনি কতটা পরিমাণে অ্যালকোহল খাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করবে আপনার পুষ্টি অভাবের মাত্রা। তবে কেউ যদি অ্যালকোহল ছেড়ে দেন, সেই সময়ে খাওয়ার ইচ্ছে থাকে খুবই কম। তাই এ সময়ে অ্যালকাইন ফুড ও ফ্লুইড বেশি করে খাওয়া দরকার। গরম স্যুপ, তাজা ফল ও ফলের রস শরীর থেকে অ্যালকোহল দূর করতে সাহায্য করে। পানি খান বেশি করে। হারবাল টি, যেমন- ক্যামোমাইল, গ্রিন-টি খেতে পারেন নিয়মিত। ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স ও পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম জাতীয় মিনারেল খেতে পারেন। উইথড্রয়াল পিরিয়ডের পরও কিন্তু কয়েকমাস ডিটক্সিফিকেশনের প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। শরীর তার জমে থাকা অ্যালকোহল ও অন্যান্য টক্সিন বের করতে থাকবে। ধীরে ধীরে ফ্যাটও ভাঙবে। এ সময় খিচুড়ি, ডাল, ভাত, সবজি, ফল খেতে পারেন। প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটযুক্ত স্ন্যাক্সও খেতে পারেন মাঝেমাঝে। হোলগ্রেন, পাস্তা, আলু খান কয়েক ঘণ্টা পর পর। কোল্ড ডিংক্স বা মিষ্টি জাতীয় খাবার, চিপস, বার্গার, আইসক্রিম, ফাস্টফুড ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। কফি, ধূমপানের অভ্যাস বেড়ে গেলে অ্যালকোহলের প্রবল ইচ্ছে হতে পারে।

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
up-arrow