Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:৩৪
উচ্ছল কিশোরী
উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। কিশোরীরাও বাদ নেই। হালের ফ্যাশন তো তাদেরকেই প্রথম ছোঁয়। গতানুগতিক বা এক্সপেরিমেন্টাল যাই হোক পোশাকে ও সাজে উচ্ছলতা এখানে...
উচ্ছল কিশোরী
পোশাক ও ছবি : ডি লা রিভ, মেকওভার : পারসোনা

কিশোরী বয়সে মুখে ভারী মেকআপ না নেওয়াই ভালো। যদি প্রসাধনী ব্যবহার করতেই হয় তবে নিজের চুল ও ত্বকের ধরন বুঝে বাছাই করতে হবে।

পোশাকের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে— সেটাই বড় কথা। আর বৈচিত্র্য আনতে চাইলে গয়না, জুতা আর ব্যাগের দিকে নজর দিলেই হয়।

 

নগরে উৎসবের ছোঁয়া। ফ্যাশন হাউসগুলো ব্যস্ত নিত্য নতুন ট্রেন্ডে নিজেদের সাজাতে। দোকানে উঠছে হালের ফ্যাশনেবল পোশাক। নইলে তো পিছিয়ে পড়তে হবে! কিশোরীর দল প্রথম পছন্দের পোশাক খুঁজে পেতে মরিয়া। কিশোরীদের এবারের ঈদে পছন্দের তালিকায় রয়েছে লং কামিজ। জর্জেট কিংবা চিকেনের ওপর বাহারি নকশা। এ ছাড়া লেসের চলতি খুব। কামিজের নিচের দিকটায় বাড়তি নকশাদার লেস তাই বৈচিত্র্য যোগ করেছে। আবার পোশাকে বাহারি কারুকাজ কিছুটা জাঁকজমকের জোগান দিচ্ছে। সেই কাজটা হতে পারে পুঁতি-চুমকি কিংবা লেসেরও। থাকছে অ্যামব্রয়ডারি, ব্লক-বাটিকের নকশাও।

কিশোরীদের পোশাকে এবারও বেশ পরীক্ষা চলেছে। হুট করেই দেখা যাচ্ছে প্রাচীন ভারতীয় ও মরোক্কান ঐতিহ্যের ছোঁয়া। এসব পোশাকে ব্রাশ পেইন্টের মাধ্যমে করা হয়েছে উজ্জ্বল রঙের    ব্যবহার। শুধু নকশাতে সীমাবদ্ধ নেই বৈচিত্র্যের দেখা। পোশাকের কাটছাঁটেও থাকছে ভিন্নতা। প্রজাপতি নকশার প্যাটার্নে তৈরি হয়েছে টিউনিক। কামিজের ঘেরেও থাকছে বৈচিত্র্য। পাশাপাশি চলছে লম্বা টপ বা কামিজে অসমান দৈর্ঘ্য অর্থাৎ সামনে বেশি ঘের, পেছনে কম, আবার পেছনে বেশি, সামনে কম ঘেরের নকশার পোশাক। ফতুয়া বা কুর্তায় থাকছে জ্যামিতিক কাট। এখন স্লিভলেস পোশাক বেশ চলছে। কিছু পোশাকের হাতায় নতুনত্ব আনতে করা হয়েছে পাইপিংয়ের ব্যবহার। কামিজ আর টপের লম্বা হাতায় থাকছে লেস। এক কথায় বলতে গেলে আধুনিক কাট, রঙিন নকশা আর আরামদায়ক কাপড—সব মিলিয়ে এবারে কিশোরীদের পোশাকে এসেছে বেশ ভিন্নতা। ফ্যাশন হাউসগুলো ফিউশনধর্মী স্টাইল বেছে নিয়েছে। পোশাকের কাটগুলো এ বছর নজর কাড়ছে খুব। কিশোরীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে সালোয়ার-কামিজ, কুর্তা, টিউনিক, ফ্রক ইত্যাদি পোশাকের নিচের অংশটায় বেশ উঁচু-নীচু ঢেউয়ের মতো করে কাটা। পালাজ্জো, প্যান্টের নিচের অংশে আসছে নকশাপালাজ্জো, চাপা প্যান্ট, সালোয়ারের নিচের অংশে প্রিন্ট বা হাতের কাজ দেখা যাচ্ছে এবার। অনেকে কামিজের সঙ্গে সালোয়ারের বদলে স্কার্ট নিচ্ছে। পোশাকে কারচুপি, সুতার কাজ, জারদৌসি এবার বেশ দেখা যাচ্ছে। এবার নরম কাপড়ের পোশাকের আয়োজন করেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। রয়েছে সিল্ক, জর্জেট, শিফন, সুতি। আর রঙের ক্ষেত্রেও বৈচিত্র্য তো রয়েছেই। কালো, সাদা, হালকা যেকোনো রং পোশাকে মানিয়ে যায় কিশোরীদের। কিছু ডিজাইনার ভিসকস কাপড়ের ওপর ফুলেল এবং বিমূর্ত ডিজাইন করেছেন। গয়নার ক্ষেত্রেও কিশোরীরা ভারী গয়না বেছে নিচ্ছেন। রুপা, অক্সিডাইজড ধাতু, বিডস, কাঠ, সুতা ব্যবহার করে বড় নকশার গয়না বানানো হচ্ছে। সঙ্গে লম্বাটে ধরনের পুঁতির মালাও চলছে। ভারী মালা হলে কানে ছোট দুল ভালো লাগবে।

একইভাবে কানে যখন বড় দুল ঝুলবে, গলায় থাকবে হালকা মালা। চোখে কাজল পরতে পারেন। ঠোঁটে হালকা রঙের লিপস্টিক। কিশোরীদের রূপচর্চায় সচেতন হওয়া দরকার। ভারী মেকআপ মোটেই নয়। ক্লিনজার ও ফেসওয়াশ দিয়ে ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করে নিতে পারেন। চুলে ব্যবহার করতে পারেন ভালো শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার। না জেনে-বুঝে কোনো প্রসাধনী বা সৌন্দর্যসামগ্রী ব্যবহার থেকে বিরত থাকাটাই ভালো।

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
up-arrow