Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:৪৯
ঈদে মাংস সংরক্ষণ
ঈদে মাংস সংরক্ষণ

কোরবানির পশু জবাই শেষে মাংস সংরক্ষণ নিয়ে ঝামেলার কমতি নেই। তাই আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন মাংস কোথায়, কীভাবে সংরক্ষণ করে রাখবেন।

জানাচ্ছেন— নূরজাহান জেবিন

 

ঈদুল আজহার প্রধান আকর্ষণ পশু কোরবানি। আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পশু কোরবানির পর সেই মাংসগুলো তিন ভাগে ভাগ করার পর সংরক্ষণের প্রয়োজন হয়। নিত্যদিনের মতো কোরবানির ঈদে মাংস স্টোর করার একমাত্র ভরসা যে ফ্রিজ, তা বললে অত্যুক্তি হয় কি? মোটেও না। তবে, ফ্রিজের যত্ন না নিলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জেনে নিন ফ্রিজারে মাংস সংরক্ষণ করার সঠিক পদ্ধতি।

 

মাংস কখনোই এক মাসের বেশি ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়। এতে মাংসের পুষ্টি গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যতই দেরি হবে ততই পুষ্টিগুণ ও স্বাদ দুটোই কমে যাবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব মাংস খেয়ে ফেলা উচিত। তবে রোদে শুকিয়ে বা জ্বাল দিয়ে মাংস সংরক্ষণের প্রাচীন সেই পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করলে সেই মাংস অনেক দিন রেখে খেতে পারবেন। কোরবানির মাংস সংরক্ষণের কিছু টিপস দেওয়া হলো।

০. কোরবানির ঈদের মাংস সংরক্ষণের একমাত্র অবলম্বন ডিপ ফ্রিজার। তাই ঈদের আগেই আপনার বাসার ডিপ ফ্রিজারটি পরিষ্কার করে নিন।

০. রান্না করা মাংস কিংবা কোরবানির মাংস যাই হোক না কেন এয়ারবাইট কনটেইনারে রাখুন। এক্ষেত্রে অবশ্যই খাবার ঢাকনা দিয়ে রাখবেন। এতে খাবার নষ্ট হবে না।

০. পশু জবাই করার পর সবার আগে আসে কলিজা। সঙ্গে সঙ্গে কলিজা রান্না করবেন না। রান্নার আগে ভালো করে ধুয়ে এবং জ্বাল দিয়ে নিন।

০. মাংস কাটার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন মাংসের টুকরো থেঁতলে না যায়।

০. মাংস সংরক্ষণের জন্য যত দ্রুত সম্ভব তা ফ্রিজে রাখুন। এদিকে মাংস কাটার স্থান, বঁটি-ছুরি পরিষ্কার করে মুছে নিন।

০. মাংস সংরক্ষণের আগে বাড়তি চর্বি কেটে আলাদা করে নিন। এরপর সব মাংস পলিতে করে সংরক্ষণ করে রাখুন।

০. কিমা করা মাংস তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত ফ্রিজার করে রাখা সম্ভব। তবে, বড় করে কাটা টুকরোগুলো ছয় মাস ভালো থাকে। এর চেয়ে বেশি দিন না রাখাই ভালো।

০. কাটা মাংসগুলো অবশ্যই ভালো করে রক্ত পরিষ্কার করে এয়ারবাইট পলিতে সংরক্ষণ করে রাখুন। এক্ষেত্রে টিস্যু পেপার বা কাগজ ব্যবহার করতে পারেন।

০. ব্যাকটেরিয়া ৪০ ডিগ্রি থেকে ১৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে জন্মায়। তাই ফ্রিজের তাপমাত্রা অবশ্যই এর নিচে রাখতে হবে।

০. রান্না করা মাংস তিন দিন নরমাল ফ্রিজে রেখে খাওয়া যায়। এর থেকে বেশি দিন রাখলে স্বাদ ও পুষ্টি দুটোই নষ্ট হয়ে যায়।

০. অনেকে প্রাচীন পদ্ধতিতে মাংস সংরক্ষণ করে রাখেন। এ ক্ষেত্রে মাংস পাতলা করে কেটে লবণ মেখে শিক বা তারে আটকে কড়া রোদে শুকিয়ে নিতে হবে।

০. এ ছাড়া অল্প পানি ও লবণ দিয়ে মাংস জ্বাল দিয়ে রাখলেও তা অনেক দিন ধরে সংরক্ষণ করে খেতে পারবেন। এতে মাংসের পুষ্টি অক্ষুণ্ন থাকবে।

০. হাড়ছাড়া মাংসও বড় টুকরো করে অনেক দিন ফ্রিজে রাখতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে এয়ারবাইট কনটেইনার ব্যবহার করতে পারেন।

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
up-arrow