Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১২ জুলাই, ২০১৮ ২১:৩৩
জেনে রাখুন
শরীরে দুর্গন্ধের প্রতিকার
নূরজাহান জেবিন
শরীরে দুর্গন্ধের প্রতিকার
♦ মডেল : সামান্তা ♦ ছবি : মঞ্জুরুল আলম
bd-pratidin

শারীরিক দুর্গন্ধ এমনই এক সমস্যা, যার সমস্যা তিনি টের না পেলেও পাশের ব্যক্তিটি ঠিকই টের পেয়ে যান। পারফিউম-ডিও’তে সাময়িক পরিত্রাণ মিললেও আবার যেইসেই। এক-একজনের ঘাম হওয়ার পরিমাণ আলাদা হলেও ঘাম আটকানোর কোনো উপায় নেই। এক্ষেত্রে হাইজিন যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনই প্রয়োজন বিশেষ টিপস।

 

বৈজ্ঞানিক ভাষায়, ‘শরীরে দুর্গন্ধ মূলত ঘাম এবং হাইজিনের অভাবে হয়ে থাকে। আমাদের শরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত পানি এবং কিছু মিনারেল ঘাম হিসেবে বের করে দেয়। এই ঘাম কিন্তু আসলে গন্ধবিহীন। ত্বকের উপরের স্তরে পৌঁছে তা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে মিশে ঘামে দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।’

 

প্রতিদিন গোসলে সাবান বা বডিওয়াশ ব্যবহার করুন। পুরো শরীর লুফার সাহায্যে ভালোভাবে স্ক্রাব করুন, সেক্ষেত্রে দুর্গন্ধ হওয়ার সম্ভাবনাও কমবে।

  গোসলের পানিতে পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। এসেনশিয়েল অয়েল না থাকলে পাতিলেবুর রস ও খানিকটা বেকিং সোডা মিশিয়ে সেই পানিতে গোসল করলেও উপকার পাবেন।

  আন্ডারআর্ম, কানের পেছনের অংশ, কোমর, ঘাড়, হাঁটু ও কনুইয়ের ভাঁজ ইত্যাদি অংশেই মূলত ঘাম জমে থাকে। তাই এই অংশ পরিষ্কার করার প্রতি বিশেষ যত্ন নিন।

  অনেকেই আন্ডারআর্মে হওয়া অতিরিক্ত ঘামের কারণে দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন। এর মূল কারণ কিন্তু ব্যাকটেরিয়া। আন্ডারআর্ম, নিয়মিত শেভ বা ওয়্যাক্স করলে ওই অংশে ব্যাকটেরিয়া জমতে পারে না। ফলে দুর্গন্ধও হয় না।

  বাড়িতে স্ক্রাব তৈরি করেও ব্যবহার করতে পারেন। সমপরিমাণে এপসম সল্ট, বেকিং সোডা এবং কর্নস্টার্চ ভালোভাবে মিশিয়ে তাতে ৭-৮ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে রেখে দিন। প্রতিদিন বা একদিন অন্তর এই স্ক্রাব পুরো শরীরে ম্যাসাজ করুন।

  নিমপাতার অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। গোসলের পানিতে নিমপাতা ভিজিয়ে বা নিমপাতা পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি ঠাণ্ডা করে গোসল করার সময় ব্যবহার করলেও দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পাবেন।

  গোলাপজল এক ধরনের প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজেন্ট। এটি ত্বকের রন্ধ্র সংকুচিত করতে সাহায্য করে। ফলে ঘামও কম হয়। অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার সমস্যা থাকলে শরীরের বিভিন্ন অংশে (কানের পেছন, আন্ডারআর্ম, কনুই, হাঁটু, থাই) গোলাপজল লাগাতে পারেন।

  পারফিউম বা ডিও ব্যবহারের আগে ওই অংশে সামান্য লোশন বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিলে সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে।

  যারা দু-তিন দিন অন্তর চুলে শ্যাম্পু করেন, তাদের ক্ষেত্রে স্ক্যাল্পে ঘাম জমে চুলেও বাজে গন্ধ হতে পারে।  চিরুনি বা হেয়ার ব্রাশে একবার ডিও স্প্রে করে তারপর চুল আঁচড়ে নিন।

এই পাতার আরো খবর
সর্বাধিক পঠিত
up-arrow