Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:০৬
পড়তে বসেই বায়না
বাচ্চাদের পড়তে বসাতে কত যে ঝক্কি তা কেবল বাবা-মা-ই জানেন। কিন্তু বাচ্চা পড়তে না চাইলে সমাধান তো খুঁজে বের করতেই হবে...
ফ্রাইডে ডেস্ক
পড়তে বসেই বায়না
♦ মডেল : সাদমান ও লাজেস ♦ ছবি : মঞ্জুরুল আলম
bd-pratidin

নিশ্চয়ই আপনার ছোট্ট সোনামণি চটপটে, দুরন্ত আর মিষ্টি। সারা দিন হাসছে-খেলছে, টিভিতে কার্টুন দেখছে। তবে যখনই পড়ার বই দেখবে তখনই বাধে বিপত্তি। পড়তে না চাওয়ার হাজারো বাহানা। নিছক অজুহাতে বার বার উঠে যায়। পড়তে বসে জানা জিনিসটিও ভুল করে যাতে একসময় ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। তাই তো আদরের ছোট্ট সোনামণিকে পড়াতে গিয়ে রীতিমতো হয়রান হতে হয় বাবা-মাকে। পড়তে বসে টিভির প্রতি মনোযোগ, কান্নাকাটি, তৃষ্ণা ও টয়লেটে যাওয়ার নানা অজুহাতে বার বার উঠে যাওয়া- বাচ্চাকে এ ধরনের সমস্যা কমবেশি সব বাবা-মাকেই সহ্য করতে হয়। কিন্তু এ ধরনের সমস্যার সমাধান তো প্রয়োজন।

শুরুটা করুন পড়াশোনা দিয়েই। পড়াশোনা যে খুব বেশি কঠিন বা চাপের বিষয় তা ভাববেন না। আপনি যদি পড়াশোনাকে এমনভাবে তাদের কাছে উপস্থাপন করেন তবে তারাও পড়াশোনাকে জটিল বিষয় ভাববে। ছোট্ট সোনামণিকে খেলার ছলে পড়াতে বসান। দেখবেন ও নিজে থেকেই পড়তে বসবে। বয়স কম বলে স্কুল থেকে ফিরেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই স্কুল থেকে ফেরার পরই নাকে-মুখে গুঁজে হোমওয়ার্ক করাতে বসাবেন না। একটু বিশ্রাম নিতে দিন। পড়তে বসে বাচ্চাদের মনোযোগ বসাতে ৫-১০ মিনিট লেগে যায়। এ ক্ষেত্রে সহজ কোনো বিষয় দিয়েই শুরু করতে পারেন। যেমন আঁকাআঁকির প্রতি আকর্ষণ থাকলে তা দিয়েও শুরু করতে পারেন। এতে সুবিধা হবে। বাচ্চাদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে শুরুতেই লেখার কাজগুলো শেষ করে তবে পড়ার ব্যাপারটা রাখতে পারেন। হোমওয়ার্ক প্রথমে ওকে নিজেকে করতে দিন। এতে ওর নিজস্ব চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আসবে। আর যদি না পারে তবে নিজে দেখিয়ে দিন কীভাবে হোমওয়ার্ক করবে। আবার সব বিষয়ে পারদর্শী হবে এমনটা ভাববেন না। বাচ্চারা কোনো বিষয়ে পারদর্শী হবে আবার কোনোটায় আটকে যাবে এটাই স্বাভাবিক। কঠিন বিষয়গুলো গল্পের ছলে বোঝানোর চেষ্টা করুন। তারা সহজেই বুঝতে পারবে। একবারে না পরলে বকাঝকা করবেন না। ধৈর্য হারাবেন না। মুখ গোমড়া করবেন না বা ভয় দেখাবেন না। হাসিমুখে বোঝানোর চেষ্টা করুন। বাচ্চাদের মনে অহেতুক ভীতি ঢোকাবেন না। ভালো রেজাল্টের জন্য টিভি দেখা যাবে না, গান শোনা যাবে না, খেলাধুলা করা যাবে না এমনটি করবেন না। এ রকম কড়া নিয়ম ওর স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। কম্পিউটারে খেলার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিন। টিভিতে এমন অনুষ্ঠান দেখানোর অভ্যাস করুন যা ওর চিন্তাধারার বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই পাতার আরো খবর
সর্বাধিক পঠিত
up-arrow