Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১১ অক্টোবর, ২০১৮ ২১:৪২
অতিরিক্ত ব্যায়ামের কুফল
অতিরিক্ত ব্যায়ামের কুফল
ছবি : ইন্টারনেট

কর্মব্যস্ত সারা সপ্তাহ; কর্মজীবী মানুষের ব্যায়ামের জন্য খুব একটা সময় মেলে না। তাই ছুটির দিনগুলোয় ব্যায়াম করতে গিয়ে বাধান বিপত্তি। থাকে চোট-আঘাতের প্রবণতা।

 

ব্যস্ত মানুষের সারা সপ্তাহের যাবতীয় ব্যায়ামের ঘাটতি মেটাতে একমাত্র ভরসা ছুটির দিন। সপ্তাহান্তে দুই দিন বা এক দিনের রুটিনে নানা কাজের পাশাপাশি চলে ব্যায়ামও। কিন্তু সারা সপ্তাহ ব্যায়াম না করে দু-এক দিনের টানা ৪-৫ ঘণ্টার এই ব্যায়াম শরীরের জন্য সহায়ক নয়। ফলটা বরং উল্টো হয়। এক্ষেত্রে বিজ্ঞ ডাক্তাররা সপ্তাহে পাঁচ দিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়ামের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আর নিয়ম না মেনে সপ্তাহ শেষে ব্যায়ামে থাকে নানা রকম চোট-আঘাতের প্রবণতা। হঠাৎ ব্যায়ামে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। জেনে নেওয়া যাক সপ্তাহে দু-এক দিন জোরালো ব্যায়ামে সাধারণত কী কী ক্ষতি হয়ে থাকে।

 

♦  কাঁধের চোট বা আঘাত

♦   গোড়ালির ব্যথা

♦  হাঁটুর জয়েন্টে ব্যথা

♦  কব্জির আঘাত

♦  পায়ের রগে টান খাওয়া

♦  মাসলে আঘাত বা ব্যথা

 

সমস্যা যাই হোক, স্বাস্থ্য-সচেতন মানুষ বরাবরই সুস্বাস্থ্যের জন্য সপ্তাহান্তে হলেও ব্যায়াম করে থাকেন। আর এসব সমস্যা সমাধানের উপায়ও রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন কমপক্ষে আধা ঘণ্টা সময় বের করে ব্যায়াম করতে পারলে সবচেয়ে ভালো। আর তা যদি সম্ভব না হয় তবে যে ক’দিন পারেন ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। তাহলে সপ্তাহান্তে খুব একটা সমস্যা হবে না। যে কোনো খেলাধুলা বা ব্যায়ামের পর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা জরুরি। শরীর যেন পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় সেদিকটাও খেয়াল রাখা জরুরি। তাই পুষ্টিকর খাবার খান বেশি বেশি। ব্যায়ামের আগে ওয়ার্মআপের পরে কুল-ডাউন করুন। মনে রাখবেন হালকা জগিং, সাইক্লিং বা সাঁতার কাটা ওয়ার্মআপের জন্য আদর্শ। মাসলের জন্য উপযোগী ব্যায়াম করুন। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে ব্যায়াম করলে চোট-আঘাতের পরিমাণ অনেকটা কমে আসবে।

 

পরামর্শ

হাঁটুতে যদি আঘাত লাগে, তাহলে সেখানে স্পি­ন্টার ব্যবহার করতে হবে। শোল্ডারে আঘাত পেলে শোল্ডার ব্যাগ ব্যবহার করুন। চোট লাগা স্থানগুলোকে রক্ষা করুন জরুরি। এরপরই হলো সঠিক বিশ্রাম নেওয়া। প্রয়োজনে চোট লাগা অংশে বরফ দিতে পারেন। চোট লাগা স্থান ফুলে গেলে স্ক্রেপ ব্যান্ডেজ ব্যবহার করতে পারেন। পা বা হাতে চোট লাগলে তা ঝুলিয়ে রাখুন। আঘাতের পর হাঁটা শুরু করলে সাপোর্ট নিয়ে হাঁটুন। এতে আহত স্থানে আবার আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা কমে আসবে। গুরুতর আহত হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

এই পাতার আরো খবর
সর্বাধিক পঠিত
up-arrow