Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৩:০৯ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
সুস্থ থাকতে চিনির বিকল্প
অনলাইন ডেস্ক
সুস্থ থাকতে চিনির বিকল্প

অতিরিক্ত চিনি বা চিনিজাতীয় খাবার খেলে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, মস্তিষ্কের রোগ, স্থূলতা ইত্যাদির আশঙ্কাও বেড়ে যায়।  বর্তমানে বাজারে চিনির বিকল্প অনেক ধরনের ট্যবলেট বা বিকল্প উপাদানও পাওয়া যায়।

তবে চিনির বিকল্প হিসেবে রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি কৃত্রিম মিষ্টি ট্যাবলেটও পুরোপুরি স্বাস্থ্যসম্মত নয়।  

চিনির বিকল্প হিসেবে মিষ্টিজাতীয় কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করাই ভালো। এ তালিকায় আছে খেজুর। খেজুরের খাদ্য উপাদানের সিংহভাগই চিনি। ফল হিসেবে খেজুর খুবই স্বাস্থ্যকর এবং এটি ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্তদের জন্য ক্ষতিকরও নয়।  

চিনির বিকল্প হিসেবে নারিকেল বা নারিকেলের গুঁড়ার চিনি গ্রামেগঞ্জে এখনো প্রচলিত। এটিও বেশ স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। যদিও এটিকে সরাসরি চা কিংবা কফিতে ব্যবহার করা যায় না। তবে অন্যান্য মিষ্টি খাবারের সঙ্গে এটি অনায়সেই ব্যবহার করা চলে। এছাড়াও নারিকেল থেকে তৈরি চিনিতে থাকে প্রচুর মিনারেল। এই চিনি ডায়বেটিস রোগীরাও খেতে পারেন।  

আখ থেকে তৈরি চিনি শরীরের জন্য ক্ষতিকর হলেও আখের গুড় চিনির উত্তম বিকল্প। চা অথবা কফির সঙ্গে এক টুকরো গুড় আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী এবং এটি রক্ত সঞ্চালনকে স্বাভাবিক রাখে। মিষ্টির অভাব পূরণে চিনির সর্বোৎকৃষ্ট বিকল্প ধরা হয় মধুকে। এক কাপ চা অথবা কফিতে এক চামচ সাদা চিনির চেয়ে এক চামচ মধু অনেক উপকারী। মধু ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

কলা, আম, স্ট্রবেরি, মিষ্টি আপেল, কাঁঠাল, ডালিম, তরমুজ, পেঁপে ও আনারসে রয়েছে প্রচুর প্রাকৃতিক চিনি। খাবারের সঙ্গে কিংবা মিষ্টি খাবার প্রস্তুতের জন্যও এগুলো ব্যবহার করা যায়। এছাড়া শুকনো আঙুর বা কিশমিশও চিনির বিকল্প হিসেবে বহু খাবারে ব্যবহার করা যায়।  

 

বিডি প্রতিদিন/১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/ফারজানা 

আপনার মন্তব্য

up-arrow