Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৪ জুলাই, ২০১৬ ২৩:১৬
রেড মিট গ্রহণে সতর্কতা
ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল

ঈদ মানেই হলো নানা ধরনের মুখরোচক খাবার। বিশেষ করে এ সময় ডাইনিং টেবিলে রেড মিট বা লাল মাংসের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়। গরু, খাসি, ভেড়া, মহিষ, উট ও দুম্বার মাংসকে বলে রেড মিট বা লাল মাংস। আর এ মাংসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খারাপ কোলেস্টেরল, যা হৃপিণ্ডের প্রধান শত্রু। তাই কোরবানির মাংস গ্রহণে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

চর্বি বাদ দেওয়ার কৌশল : মাংস কাটার সময় চর্বি যতটা সম্ভব কেটে বাদ দেবেন। * রান্নার আগে মাংস আগুনে ঝলসে নিলে কিছু চর্বি গলে পড়ে যায়। এভাবে মাংস চর্বিমুক্ত করা যেতে পারে। * মাংস একটু হলুদ-লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে রেফ্রিজারেটরে ঠাণ্ডা করলে কিছুটা চর্বি মাংস থেকে বেরিয়ে এসে জমাকৃত অবস্থায় থাকে। এ অবস্থায় বাড়তি চর্বিটুকু একটা চামচ দিয়ে আঁচড়ে সহজে বাদ দেওয়া যায়। * এ ছাড়া মাংস একটি র‍্যাক বা ছিদ্রযুক্ত পাত্রে রেখে অন্য একটি পাত্রের ওপর বসিয়ে চুলায় দিলে নিচের পাত্রে মাংসের ঝরে যাওয়া চর্বি জমা হবে। এ পদ্ধতিতে মাংস থেকে অনেক চর্বি খুব  সহজেই  বাদ  দেওয়া  সম্ভব।

কোলেস্টেরল ভাবনা : মাংস খাওয়ার সময় কোলেস্টেরলের কথা মনে রাখতে হবে। কারণ মন্দ কোলেস্টেরল নীরবে মৃত্যু ডেকে আনে। যাদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি কিংবা বিপদসীমার কাছাকাছি তারা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে মাংস খাবেন। যাদের বয়স ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে কিংবা ৩০ বছর বয়সের পর যাদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ২০০-এর বেশি, তাদের রেড মিট বা লাল মাংস না খাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন। ঈদে যেহেতু মাংস খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে তাই বুঝেশুনে খেতে হবে। এ সময়ে হৃদরোগীদের একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে। কারণ প্রতিকার নয় প্রতিরোধ সর্বদা উত্তম।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow