Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ১০ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ জুলাই, ২০১৬ ০০:০৬
প্রেসক্রিপশন
দেহকোষের নিয়ন্ত্রণহীন বৃদ্ধি ক্যান্সার
দেহকোষের নিয়ন্ত্রণহীন বৃদ্ধি ক্যান্সার

ক্যান্সারের cell বা কোষকে malignant বলা হয়ে থাকে। আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার বিভিন্ন Organ বা tissue-তে দেখা দিতে পারে; যেমন— ফুসফুস, অন্ত্রে, ত্বকে, হাড় অথবা স্নায়ু টিস্যুতে।

ক্যান্সারের অনেক কারণ রয়েছে, যেমন— বেনজিন এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ, অতিরিক্ত এলকোহল, পারিপার্শ্বিক বিষক্রিয়া : Poisonous মাশরুম এবং Alfa toxin, অতিরিক্ত সূর্যরশ্মি, বংশগত সমস্যা, মোটা হওয়া, radiation, ভাইরাস এবং সর্বোপরি সাইকোটিক মায়াজম। পুরুষের ক্ষেত্রে Prostate cancer, ফুসফুসের ক্যান্সার যেমন বেশি দেখা দেয়, তেমনি মহিলাদের স্তন ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার ও পায়ু পথের ক্যান্সার বেশি হয়। তবে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় তথা ভারতীয় উপমহাদেশে লিভার ক্যান্সার ও খাদ্যনালির ক্যান্সার বেশি দেখা দিচ্ছে। ক্যান্সার নিয়ে নিত্যনতুন চিকিৎসা  পদ্ধতি ও পরিকল্পনা হচ্ছে বিশ্বে। এদিকে হোমিওপ্যাথিতে ক্যান্সারের চিকিৎসা নির্ভর করে তার প্রকৃতি ও stage বা grade-এর ওপর।

মূলত এটি হলো দেহকোষের  অস্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণহীন বৃদ্ধি।

এর মাধ্যমে তা কতটুকু বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তার মূল অবস্থান থেকে কত দূরে ছড়াচ্ছে

তা নির্ণয় করা হয়। যদি ক্যান্সারটি একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে এবং কোনো রকম না ছড়ায় সেই সূক্ষ্ম যাত্রা আরোগ্য করতে পারে। আবার দেখা যায়, কিছু ক্যান্সার আছে সেগুলো খুব দ্রুত ছড়ায়।

  এ ক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে নিয়মনীতির আলোকে চিকিৎসা দেওয়া দরকার। সবচেয়ে বড় কথা এসব চিকিৎসায় ধৈর্য ধরতে হয়। কারণ এগুলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। অন্যদিকে উপসর্গ বা লক্ষণ দেখার পরপরই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া ভালো। কারণ প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা না নিলে পরবর্তীতে জটিলতা বাড়তে পারে।

অধ্যক্ষ ডা. কালাম আজাদ

কনসালটেন্ট, হোমিওপ্যাথিক

ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, ঢাকা।

ফোন : ০১৯২৮৭০৫০৩০

এই পাতার আরো খবর
up-arrow