Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২১ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৫৭
গর্ভাবস্থায় উচ্চরক্তচাপ
গর্ভাবস্থায় উচ্চরক্তচাপ

গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ পর যদি কোনো নারীর রক্তচাপ ১৪০/৯০ বা তার বেশি হয় এবং প্রস্রাবের সঙ্গে আমিষ নির্গত হয়, তবে তাকে প্রি-এক্লাম্পসিয়া বলে। পরে সমস্যাটি গর্ভাবস্থায় খিঁচুনি হিসেবেও দেখা দিতে পারে। সমস্যাটি মৃদু বা প্রকট দুই ধরনেরই হতে পারে। রক্তচাপ যদি ১৪০/৯০ এর বেশি কিন্তু ১৬০/১১০ এর কম হয়, তবে সমস্যাটি মৃদু। আর সিস্টোলিক প্রেশার (রক্তের সংকোচন চাপ) যখন ১৬০ বা তার বেশি, ডায়াস্টোলিক (প্রসারণ চাপ) প্রেশার ১১০ এর বেশি হলে সমস্যাটি প্রকট হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।

কাদের ঝুঁকি বেশি : সাধারণত ১) ২০ বছরের কম বা ৩৫ বছরের বেশি গর্ভবতী নারী, যাদের পরিবারে কারও উচ্চরক্তচাপ বা প্রি-এক্লাম্পসিয়ার ইতিহাস আছে, ২) পেটে যমজ বাচ্চা ৩) যাদের ডায়াবেটিস ৪) ওজন খুব বেশি ৫) রক্ত জমাট বাঁধাজনিত সমস্যা আছে তাদের এটা হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

উপসর্গ : হঠাৎ করে ওজন বেশি বাড়তে থাকা- হাতে, পায়ে, মুখে বা সারা শরীরে পানি আসা, মাথা ব্যথা, ঘুমের সমস্যা, উপরের পেটে ব্যথা, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি।

জটিলতা : এক্লাম্পসিয়া (গর্ভাবস্থায় খিঁঁচুনি), গর্ভফুলে রক্তপাত, অন্ধত্ব, মস্তিষ্কে রক্তপাত, প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া, কিডনি বিকল, সংক্রমণ এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

চিকিৎসা : পরিমিত বিশ্রাম নেওয়া, পরিমিত আমিষ জাতীয় খাবার গ্রহণ, দ্রুত ওজন ও রক্তচাপ বেড়ে যাচ্ছে কিনা, তা নির্ণয় করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ডা. রুশদানা রহমান তমা

কনসালট্যান্ট (গাইনি) সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল toma499@yahoo.com

এই পাতার আরো খবর
up-arrow