Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৫৬
বার্ধক্যে ব্যথা-বেদনা

বার্ধক্য ব্যথা-বেদনা কোনো  রোগ নয়। এটা জীবনের একটি প্রক্রিয়া।

জন্মাইলে মরিতে হইবে যেমন সত্য, তেমনি বেঁচে থাকলে বার্ধক্য আসবে। এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আর বর্তমানে বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে যার ফলে বয়স্ক ব্যক্তি বা প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যাও বেড়েছে। আর এই প্রবীণ জনগোষ্ঠীর বেশির ভাগই বয়সজনিত হাড়ের ক্ষয় রোগে আক্রান্ত। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যেমন চুল পেকে যায় তেমনি হাড়ের ক্ষয়ও বৃদ্ধি হতে থাকে। বিশেষ করে মহিলাদের মেনোপেজ-পরবর্তীতে হাড়ের ক্ষয় দ্রুত হতে থাকে। এই হাড়ের ক্ষয় ছাড়াও জয়েন্ট বা অস্থি-সন্ধির অভ্যন্তরীণ উপাদান যেমন-সাইনোভিয়াল ফ্লুইডও কমে, যার ফলে শরীরের জয়েন্টগুলোতে ব্যথা-বেদনা দেখা দেয়। বিশেষ করে মেরুদণ্ড, ঘাড়, কোমর, হাঁটু, কাঁধ ইত্যাদিতে বেশি ব্যথা দেখা যায়। যা মেডিকেল পরিভাষায় স্পনডাইলোসিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপ-রোসিস ইত্যাদি এবং এ ব্যাথার ফলে রোগীদের ব্যক্তিগত কাজকর্ম যা মেডিকেল পরিভাষায় ডেইলি এক্টিভিটিজগুলোও করতে পারেন না। যেমন : বসা থেকে উঠতে পারেন না, নিচে বসতে পারে না, সিঁড়ি দিয়ে উঠানামা করতে পারেন না, টয়লেটে বসতে পারেন না ইত্যাদি ধরনের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যাগুলো ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমে কমিয়ে এনে রোগীর স্বাভাবিক জীবনযাপনের উপযোগী করা সম্ভব। আমাদের মনে রাখতে হবে প্রতিকার নয়, প্রতিরোধ উত্তম।

ডা. এম. ইয়াছিন আলী

চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালটেন্ট, ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসাপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow