Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:১১

পিএলআইডি

পিএলআইডি

কোমর ব্যথার কারণগুলোর অন্যতম হলো পিএলআইডি বা লাম্বার ইন্টার ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রল্যাপস। পিএলআইডি তিন মাত্রার হতে পারে- স্বল্প, মাঝারি ও তীব্রমাত্রা।

লক্ষণসমূহ : প্রধান লক্ষণ কোমর ব্যথা। ব্যথা কোমর থেকে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত চলে যেতে পারে। পায়ে ঝি ঝি ধরতে পারে বা শিরশিরে অনুভূতি হতে পারে। অনেকে বলে থাকেন পা চাবাচ্ছে। সামনে ঝুঁকলে ব্যথা বাড়ে, বেশিক্ষণ হাঁটতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না। অনেকে শোয়া থেকে উঠে বসতেই পারেন না।

রোগ নির্ণয় : আমাদের মেরুদণ্ডের কোমরের অংশ পাঁচটি কশেরুকা বা ভার্টিব্রা দ্বারা গঠিত। এর নিচে থাকে স্যাক্রাম। এই পাঁচ কশেরুকা এবং স্যাক্রামের মাঝে তালের শাসের মতো স্থিতিস্থাপক চাকতি থাকে। এই চাকতিগুলো মেরুদণ্ডের শক এবজর্বারের ভূমিকা পালন করে। পিএলআইডিতে এই চাকতিটি তার অবস্থান থেকে সরে যায় এবং সরে যাওয়া চাকতিটি স্নায়ুর গোড়ায় চাপ প্রয়োগ করে, ফলে কোমরে ব্যথা শুরু হয়। স্নায়ুগুলো যেহেতু কোমর থেকে বের হয়ে পায়ের দিকে চলে গেলে পায়ের দিকেও ব্যথা অনুভূত হতে পারে। তবে এটি নির্ভর করে কোন স্নায়ুর গোড়াটি চাপে পড়ল এবং চাপের ধরন ও মাত্রা কেমন। ডিস্কটি অক্ষত থেকে স্নায়ুকে চাপ দিতে পারে আবার এর পর্দা ছিঁড়ে এর ভিতরের নিউক্লিয়াস ও জেলি বেরিয়ে এসে তা স্নায়ুর গোড়ায় চাপ দিতে পারে। এই ধরনটি নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতে এমআরআই করতে হবে। চিকিৎসা : পিএলআইডি মানেই অপারেশন নয়। বেশিরভাগ স্বল্প ও মাঝারি মাত্রার পিএলআইডি ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কোনো ক্ষেত্রে অপারেশন প্রয়োজন হয়।

ডা. মোহাম্মদ আলী

চিফ কনসালট্যান্ট, এইচপিআরসি, উত্তরা, ঢাকা। ফোন : ০১৮৭২৫৫৫৪৪৪


আপনার মন্তব্য