Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:২৮

ক্যান্সার যখন বৃহদান্ত্রে

ক্যান্সার যখন বৃহদান্ত্রে

কোলন অর্থাৎ বৃহদান্ত্রে ক্যান্সার একটি সাধারণ ক্যান্সার। এখানে  রোগী বা আক্রান্তের সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের পরিসংখ্যান মতে, এটি ক্যান্সার মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ। এখানে পরিপূর্ণ পরিসংখ্যান না থাকলেও তা অন্যতম মৃত্যুঝুঁকি হতে পারে।

লক্ষণ : কোলন ক্যান্সার সাধারণত ৪০-ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরই হয়। সাধারণত পেট ব্যথা, ক্ষুধামন্দ, পেট ফাঁপা ফাঁপা লাগা, ওজন কমে যাওয়া, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি হয়। কালো পায়খানা হতে পারে বা মলের সঙ্গে রক্ত বা রক্ত ও আমমিশ্রিত পায়খানা হতে পারে। মলত্যাগের পরও মনে হতে পারে ভালোভাবে মলত্যাগ হয়নি, আবার টয়লেটে যেতে হবে। এছাড়া রোগ ছড়িয়ে পড়লে আরও অনেক সমস্যা হতে পারে। যেমন ক্যান্সার নির্ণয়ের সর্বোত্তম পরীক্ষা কোলনস্কোপি। রেকটাম অর্থাৎ কোলনের নিচের অংশে টিউমার হলে কোলনস্কোপির প্রয়োজন হয় না। এ ব্যপারে সিগময়ডোস্কোপি নামক অপেক্ষাকৃত সহজ পরীক্ষা করা যায়। কোলনস্কোপি/ জিগময়ডোস্কোপির মাধ্যমে সরাসরি টিউমার দেখা যায়। সেখান থেকে টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায় ক্যান্সার কিনা। তারপর অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা হয় চিকিৎসার ধরন। কোলন ক্যান্সার ভালো হওয়ার একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে অপারেশন। অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত অংশ এবং এর আশপাশ ফেলে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে ক্যান্সারের অবস্থা ভেদে যুক্ত করা হয় কেমোথেরাপি ও রেডিও থেরাপি। ডাক্তার কোনো রোগীকে ক্যান্সারে আক্রান্ত বললে সবাই মনে করে সব শেষ। বাস্তবে তা নয়। বর্তমানে কোলন ক্যান্সারের খুব ভালো চিকিৎসা আছে। শর্ত, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়।

অধ্যাপক ডা. এসএমএ এরফান

কোলোরেক্টাল সার্জন, জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটাল,  ধান্ডমন্ডি, ঢাকা।


আপনার মন্তব্য