Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : সোমবার, ৬ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৫ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৫৯
মহাকাশের কৌতূহল ‘ব্ল্যাকহোল’
ইনফোটেক ডেস্ক
মহাকাশের কৌতূহল ‘ব্ল্যাকহোল’

ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর হলো মহাকাশের এমন এক জায়গা যেখানে মহাকর্ষ এত শক্তিশালী যেখান থেকে আলোও বিচ্ছুরিত হতে পারে না। ভিতরের জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে মৃত্যু হয় তারাদের। সেইসময় মৃত তারার ভর আমাদের সূর্যের ভরের তিনগুণ হলে সেটা ব্ল্যাকহোলে পরিণত হতে পারে। কয়েক লাখ সূর্যের ভরের সমান হতে পারে একটি ব্ল্যাকহোল। ১৯১৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন তার জেনারেল রিলেটিভিটি তত্ত্বের সাহায্যে প্রমাণ করেন যে মহাকর্ষের টানে আলোর গতিপথ প্রভাবিত হয়। কৃষ্ণগহ্বরের জন্ম ইতিহাস অনেকটা কবিতার মতো। একটি তারার মৃত্যু থেকে জন্ম নেয় একটি কৃষ্ণগহ্বর। ব্ল্যাকহোলে রয়েছে শক্তিশালী মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র। প্রত্যেক ব্ল্যাকহোলের চারদিকে একটি সীমা আছে যেখানে একবার ঢুকলে আর বেরনো যায় না। ব্ল্যাকহোলের কাছে গেলেই বিপদ। প্রবল মহাকর্ষীয় টানে কোনো তারা ব্ল্যাকহোলের কাছে এসে পড়লে  মহাকাশ দৈত্য গিলে খেয়ে নেয় সেই তারা। এভাবেই মহাকাশের মহাবিস্ময় হয়ে বেঁচে আছে ব্ল্যাকহোল। একে নিয়েই চলছে বিজ্ঞানের নিরন্তর চর্চা। আলোকে গিলে খাওয়া এই মহাকাশীয় দানবকে নিয়ে তাই আজও কৌতূহলের শেষ নেই।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow