Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০৯:০৮
নেতাজির ‘মৃত্যুসংবাদ’ নিশ্চিত করেছিল জাপান
অনলাইন ডেস্ক
নেতাজির ‘মৃত্যুসংবাদ’ নিশ্চিত করেছিল জাপান

তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত করেছিল জাপান। শুক্রবার ‘বোসফাইলস ডট ইনফো’ নামে ব্রিটেনের একটি ওয়েবসাইট জাপানের সেই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

ওয়েব সাইটটিতে দাবি করা হয়েছে, ১৯৪৫ সালে ব্রিটেনের কাছে জাপানের পাঠানো ওই প্রাথমিক রিপোর্টই (নেতাজির মৃত্যুসংক্রান্ত) পূর্ণাঙ্গ আকারে ১৯৫৬ সালে ভারত সরকারকে পাঠানো হয়েছিল।  

তৎকালীন যৌথবাহিনীর কমান্ডার লুই মাউন্টব্যাটনের নির্দেশে জেনারেল ডগলাস ১৯৪৫ সালের অাগস্টে জাপান সরকারের কাছে নেতাজির মৃত্যু সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত করে। ব্রিটেন নিবাসী ৯১ বছরের গোবিন্দ তলোয়ারকরকে উদ্ধৃত করে ওয়েবসাইটটি এই তথ্য জানিয়েছে।  

২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর জাপানের পার্লামেন্ট ‘ডায়েটে’র গ্রন্থাগার থেকে ওই রিপোর্ট সংক্রান্ত ফাইলগুলো উদ্ধার করেছেন বলে দাবি গোবিন্দের।  

ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়, ৯৭/২ মডেলের একটি বোমারু বিমান ১৯৪৫ সালের ১৮ অাগস্ট দুপুর ১টার সময় নেতাজিকে নিয়ে তাইহোকু বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে বিমানটিতে জ্বালানি ভরার পর দুপুর ২টায় গন্তব্যে রওনা হন পাইলট। কিন্তু মাটি থেকে ১০ মিটার উপরে ওঠার মধ্যেই বিমানটির বাঁদিকের ‘প্রপেলার’ ভেঙে পড়ে। রানওয়ের শেষপ্রান্তে মুখ থুবড়ে পড়ে বিমানটি। মাটি স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানটির সামনে-পেছনে আগুন ধরে যায়। সেই সময় বিমানের বাঁদিকের ভাঙা অংশ থেকে নেতাজি বেরিয়ে আসেন। তাঁর সারা গা তখন জ্বলছে। মুহূর্তের মধ্যে সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে আসেন নেতাজি’র সহযোগী হাবিবুর রহমানও। সকলে মিলে সুভাষচন্দ্রকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়। গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় নেতাজিকে দুপুর ৩টার মধ্যে তাইহোকুর সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই রাত ৯টায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে জাপানের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়, ২০ অাগস্ট নেতাজির মরদেহ কফিনবন্দি করা হয়। ২২ অাগস্ট তাঁর অন্ত্যোষ্টি (‘ক্রিমেশন’) হয়। পরদিন নিশি হোনগানজি মন্দিরে শেষশ্রদ্ধা (‘ফিউনারাল’) জানানো হয় নেতাজিকে।

সূত্র : এবেলা 

বিডি প্রতিদিন / ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ / এনায়েত করিম

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow