Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১১:২৩
নিরাপত্তা পরিষদে ভারত-পাক ইস্যুতে আলোচনা নয়: রাশিয়া
অনলাইন ডেস্ক
নিরাপত্তা পরিষদে ভারত-পাক ইস্যুতে আলোচনা নয়: রাশিয়া

নিরাপত্তা পরিষদে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলতি উত্তেজনা নিয়ে কোন আলোচনা হচ্ছে না বলে স্পষ্ট জানালেন জাতিসংঘে রাশিয়ার দূত ভিতালি চুরকিন। চলতি মাসে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি হচ্ছে রাশিয়া।

সেই সূত্রে চুরকিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়ে দিয়েছেন। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

খবরে বলা হয়, রাশিয়ার দূত ভিতালি চুরকিন ভারত-পাক আলোচনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বারবার বলেন, “না, না, দুঃখিত। এখন নয়। কিছুতেই নয়। আমরা ওই আলোচনাতেই যাচ্ছি না” 

কাশ্মীর এবং ভারত-পাক উত্তেজনা নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা চাইছে পাকিস্তান। কারণ ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রতিবাদে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করছে পাকিস্তান। তাই পাকিস্তানের দাবি মেনে কোন প্রস্তাব আনা হচ্ছে বা আলোচনা হচ্ছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে রুশ দূত চুরকিন ওই কথাগুলি বলেন।  

পাকিস্তানের প্রস্তাব নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা করতে রাশিয়া আগ্রহী নয় কেন? এমন প্রশ্ন করা হলে রুশ দূত বলেন, “আপনারা সবাই জানেন, বিষয়টিতে অনেক ইস্যু ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। এভাবে একতরফা এই বিষয়টি তোলা সম্ভব নয়। তাতে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। আমরা সেটা এখনই চাইছি না৷” 

চুরকিনের ইঙ্গিত, নিরাপত্তা পরিষদ এখন সিরিয়ার যুদ্ধ, রুশ জোট ও মার্কিন জোটের মধ্যে ভেস্তে যাওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি, দক্ষিণ চীন সাগর, জলবায়ু চুক্তি, ইউরোপে শরণার্থী সমস্যাগুলির মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে বেশি আগ্রহী। ফলে সেখানে জায়গা পাচ্ছে না ভারত-পাক উত্তেজনার ঘটনাবলি। ফলে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক সরাসরি সমর্থন করার পর ফের পাকিস্তানকে ধাক্কা দিল রাশিয়া।  

জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী দূত সৈয়দ আকবরউদ্দিন জানিয়েছেন, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের বিরু‌দ্ধে জাতিসংঘে জোরালো লবি করার চেষ্টা চালিয়েছিল পাকিস্তানি কূটনীতিকরা। কিন্তু তাদের আপত্তি ও দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে সবাই। অ্যনদিকে, আমেরিকা বলেছে, সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক কর্তাদের মধ্যে নিয়মতি বার্তা বিনিময় জরুরি।  

মার্কিন পররাষ্ট্র অধিদফতরের মুখপাত্র এলিজাবেথ ত্রূদেউ বলেছেন, দু’দেশের সেনাবাহিনী প্রতিনিয়ত নিজেদেরে মধ্যে কথা বলুক। পরবর্তী পদক্ষেপগুলি নিয়ে বার্তা বিনিময় করুক। এতে ভুল বোঝাবুঝি ও পারস্পরিক সন্দেহ দূর করা যাবে। কারণ দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক স্থিতি ও শান্তি যাতে দীর্ঘস্থায়ী হয় সেই চেষ্টাই করছে আমেরিকা।


বিডি প্রতিদিন/ ৫ অক্টোবর ২০১৬/হিমেল

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow