Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ৮ অক্টোবর, ২০১৬ ১২:২২
ভারতের পাঁচ গোপন অস্ত্র
অনলাইন ডেস্ক
ভারতের পাঁচ গোপন অস্ত্র

বিশ্বের যে কয়টি বর্ডার সবচেয়ে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ তার মধ্যে ভারত-পাকিস্তান বর্ডার একটি। ১৯৪৭ সালে ভারত যেমন পাকিস্তান সৃষ্টি মেনে নিতে পারেনি, তেমনি কাশ্মিরের ভারতের অন্তর্ভুক্ত হওয়াও পাকিস্তান মেনে নিতে পারেনি।

এই কাশ্মির নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তিনবার অর্থাৎ ১৯৪৭, ১৯৬৫ ও ১৯৯৯ সালে যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং সর্বশেষ বাংলাদেশ নিয়ে ১৯৭১ সালে। যদিও এখনো কাশ্মির সমস্যা সমাধান হয়নি। তাই ভবিষ্যতেও অপ্রত্যাশিত যুদ্ধ হতে পারে।  

যুদ্ধ হয় সাধারণত দুটি জিনিসের মাধ্যমে। যুদ্ধাস্ত্র এবং যুদ্ধকৌশল। যুদ্ধ কৌশল একটি আপেক্ষিক বিষয়। বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকে এবং যতটা সম্ভব গোপন রাখার চেষ্টা করে। আর যুদ্ধাস্ত্র বিভিন্ন দেশ অন্যদেশ থেকে সংগ্রহ করে এবং নিজেরাও তৈরি করে। এটিও গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়, আবার অনেক সময় অনেক কিছু প্রকাশও করে। পাক-ভারতের সাম্প্রতিক উত্তেজনায় উঠে এসেছে দুই দেশের গোপন অস্ত্রের কথা। নিচে রইল ভারতের ৫টি গোপন অস্ত্রের তথ্য-

 

১. কালি:

শত্রুপক্ষের মিসাইল ধ্বংস করতে এখন ভারতের ভরসা ‘কালি’। এ হল উন্নতমানের মিসাইল ধ্বংসকারী অস্ত্র যা তৈরিতে মনোনিবেশ করেছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। মিসাইল বিধ্বংসী এই অস্ত্রের নাম ‘কিলো অ্যাম্পিয়ার লিনিয়র ইনজেক্টর। ’ যাকে সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ‘কালি’। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ইলেক্ট্রিক্যাল মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে মিসাইল ধ্বংস করবে কালি। শুধুমাত্র মিসাইল নয় শত্রুপক্ষের যে কোন ধরনের যুদ্ধবিমানকে মাঝ আকাশে ধ্বংস করে দিতে পারবে কালি থেকে নির্গত মাইক্রোওয়েভ। এ ছাড়াও শত্রুপক্ষের স্যাটেলাইটও ধ্বংস করতে পারবে কালি। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যেকোনো লেজার অস্ত্রের থেকেও বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্রযুক্তি। সূত্রের খবর, এই মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে মাইক্রোওয়েভ বন্দুক তৈরি করার কথাও ভাবা হচ্ছে।

 

২. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক বোমা:

শত্রুপক্ষকে জবাব দিতে ডিআরডিও তৈরি করছে ই-বোমা। যা থেকে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক শক ওয়েভ বেরোবে ও শত্রুপক্ষের সেনাবাহিনীর সব ‌ইলেকট্রনিক সার্কিট নষ্ট করে দেবে। সুতরাং এরপর সীমান্তে যুদ্ধ লাগলে হয়ত আর বুলেট কিংবা মর্টার ছোঁড়া হবে না। চালানো হবে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বোমা। এর মাধ্যমে নষ্ট হয়ে যেতে পারে শত্রুপক্ষের বাহিনীর সব যোগাযোগ কিংবা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। দেওয়া যাবে না কোন কমান্ড। তাদের র‍্যাডারও নষ্ট করে দেওয়া সম্ভব হবে। কমব্যাট এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে ফেলা হবে এই ই-বোমা।

 

৩. পাওয়ার ম্যানিপুলেটর

দ্রুত ব্যবহাররে যোগ্য করা হবে এই পন্থা। ইতোমধ্যেই কাজ এগিয়েছে বেশ খানিকটা। এই ব্যবস্থায় কেমিক্যাল অ্যানালিসিস সম্ভব হবে। এতে পরমাণুর উপাদান থোরিয়ামের ব্যবহারে সুবিধা হয়। এছাড়াও ওয়াল ক্লাইম্বিং রোবটও তৈরি করা হয়েছে।

 

৪. লেজার প্রোগ্রাম

উন্নততর লেজার অস্ত্র তৈরির ব্যবস্থা হচ্ছে ভারতে। তৈরি হচ্ছে প্লাজমা আরএফ রিঅ্যাকটর, প্লাজমা মাইক্রোওয়েভ সিস্টেম, লেজার আরএফ সিও২।

 

৫. থোরিয়াম ফুয়েল সাইকেল

খনি থেকে থোরিয়াম পাওয়া খুবই বিরল। ফলে থোরিয়াম ফুয়েল পুনর্ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভারতে এবার সেই ব্যবস্থাই করা হচ্ছে।


বিডি প্রতিদিন/ ৮ অক্টোবর ২০১৬/হিমেল

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow