Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১২:২৭ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৪:৪০
যুক্তরাষ্ট্রে চলছে অভিবাসী ধরপাকড়, ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ
এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে:
যুক্তরাষ্ট্রে চলছে অভিবাসী ধরপাকড়, ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ

আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীদের গ্রেফতার অভিযানের কঠোর সমালোচনা করে এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার দাবিতে নিউইয়র্ক, টেক্সাস, লসএঞ্জেলেস, ভার্জিনিয়া প্রভৃতি স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। ‘নো ব্যান, নো রেজিস্ট্রি’, ‘এ্যান্ড হোয়াইট সুপ্রিম্যাসি’ এবং ‘নো ট্রাম্প, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগান ধ্বনিত হয় এসব বিক্ষোভ থেকে।

শুক্রবার পর্যন্ত ৫ দিনে ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, আরিজোনা, ইলিনয়, জর্জিয়া, নিউইয়র্ক, নর্থ ক্যারলিনা, ফ্লোরিডা, নিউজার্সি, মিনেসোটা প্রভৃতি অঙ্গরাজ্যে অভিবাসী অধ্যুষিত সিটিতে অভিযান চালায় ‘ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট’ (আইস) এর এজেন্টরা। কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা নির্দিষ্টভাবে জানাচ্ছে না আইস। তবে এসব ধরপাকড়ের মনিটরিংকারি কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবক সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অন্তত ৭০০ জনকে ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে। হঠাৎ করে অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার অভিযানে সারা আমেরিকায় অভিবাসী মহলে হৈচৈ পড়ে গেছে। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী জন কেলী মিডিয়াকে জানান, ‘এটি বিশেষ কোন কর্মসূচি নয়। চলমান স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়ারই অংশ। অবৈধ অভিবাসীর মধ্যে যারা গুরুতর অপরাধে লিপ্ত এবং যাদের বিরুদ্ধে বহুদিন আগেই ইমিগ্রেশন কোর্ট থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ জারি রয়েছে, কেবলমাত্র তাদেরকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। ’

তবে আন্দোলনকারিদের অভিযোগ, গত ২৫ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী ঢালাওভাবে ধরপাকড় শুরু করা হয়েছে।
 
আইসের লসএঞ্জেলেস শাখার কর্মকর্তা ডেভিড মেরিন বলেছেন, আটলান্টা, নিউইয়র্ক, শিকাগো, লসএঞ্জেলেস ও এর আশপাশের এলাকায় নিয়মিত আইনপ্রয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আইস অফিস সূত্রে লসএঞ্জেলেস থেকে ১৬১, জর্জিয়ার আটলান্টাসহ আশপাশের এলাকা থেকে ২০০, মিনেসোটা থেকে ৯, নিউইয়র্ক থেকে ৬ জনকে গ্রেফতারের তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, বিপদগ্রস্ত অভিবাসীদের বিনা ফি-তে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্যে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন, কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স ছাড়াও ‘হিয়ার টু স্টে’ নেটওয়ার্ক নামক একটি সংস্থাও মাঠে নেমেছে।


বিডি-প্রতিদিন/এস আহমেদ

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow