Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১২:৩৮ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
ভাঙন ঠেকাতে এবার জয়ললিতাকে সামনে আনলেন শশীকলা
অনলাইন ডেস্ক
ভাঙন ঠেকাতে এবার জয়ললিতাকে সামনে আনলেন শশীকলা

দলের ভাঙন ঠেকাতে এবার ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতাকেই হাতিয়ার করলেন তার দীর্ঘদিনের বান্ধবী এবং এআইএডিএমকের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শশীকলা নটরাজন। আম্মা খ্যাত জয়ললিতার মৃত্যুর আগে শেষবার তাকে বলেছিলেন, ‘‌কেউ আমাদের দল ভাঙতে পারবে না’‌।

এই প্রসঙ্গ তুলে এনে শশীকলা বলেন, ‘‌দলকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রাণ পর্যন্ত দেব। ফের আমরাই তামিলনাড়ুতে সরকার গড়ব। ’‌ মিনিট কয়েক পরেই জানিয়ে দিলেন, এই লড়াইয়ে পাশে চান রিসোর্টে ‘‌বন্দী’‌ ১২৯ বিধায়ককেও। তাদের উদ্দেশে তিনি বললেন, ‘‌প্রত্যেকের মেরিনা বিচে আম্মার স্মৃতি সৌধের সামনে বসে সরকার গঠনের পণ করা উচিত। ’‌ খবর আজকালের।

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদ ঘিরে পনিরের সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যেই ১২৯ জন বিধায়ককে মহাবলিপুরমের কাছে একটি রিসোর্টে পাঠিয়ে দেন শশীকলা। পনিরসেলভাম–শিবিরের অভিযোগ, তাদের জোর করে আটকে রাখছেন শশী। সাহস থাকলে ছেড়ে দিন। শশী অবশ্য ঝুঁকি নিতে রাজি নন। ঝামেলার মধ্যেই রবিবার রিসোর্টে গিয়ে বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। আম্মার প্রসঙ্গ টেনে তাদের উদ্দীপ্ত করার চেষ্টা করেন। বিভিন্নভাবে বোঝান, তিনিই আম্মার যোগ্য উত্তরসূরি। তাই বিধায়কদের কর্তব্য, তার পাশে থাকা। বিধায়কদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে খোঁটা দিতেও ছাড়েননি। তিনি বলেন, ‘‌আপনারা তেমন শিক্ষিত নন। তবে আম্মা ছিলেন। তা সত্ত্বেও তিনি আপনাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, যাতে একদিন আপনারা বিধায়ক হতে পারেন। উনি কী করেছেন, কীভাবে আপনাদের এখানে টেনে তুলেছেন, ভুলবেন না। ’‌

তারপর কান্না জড়ানো গলায় শশীকলা বলেন, ‘‌এখনও আম্মার কথা ভাবলে কান্না পায়। তিনি আর আপনারা আমার ওপর যে গুরু দায়িত্ব দিয়েছেন, সেই নিয়ে ভাবি। ’‌ তবে জানিয়ে দেন, বিধায়করা পাশে থাকলে সমস্ত দায়িত্বই সুষ্ঠুভাবে পালন করতে সক্ষম তিনি।

বিডি-প্রতিদিন/১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/মাহবুব

 

আপনার মন্তব্য

up-arrow