Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৪:০৭ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:১১
পাকিস্তানি বিমানে দাঁড়িয়ে সাত যাত্রীর মদিনা সফর!
অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানি বিমানে দাঁড়িয়ে সাত যাত্রীর মদিনা সফর!
ফাইল ছবি

পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট করাচি থেকে মদিনায় যায় গত ২০ জানুয়ারি। বোয়িং ৭৭৭ এর সেই ফ্লাইটে ৪০৯ যাত্রী উঠার কথা থাকলেও যাতে ৪১৬ জন উঠেছিলেন।

ফলে প্রায় চার ঘন্টার ওই মদিনা সফরে সাত জনকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। এদের সবাই নিজ সিটের জন্য টিকেট কেটেও তা থেকে বঞ্চিত হন।  

এ ঘটনায় এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি। কারণ এ ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করতে পারেনি তারা। পাইলট, সিনিয়র তত্ত্বাবধায়ক, ট্রাফিক স্টাফ ও কেবিন ক্রু সবাই নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন।  

বিমানটির ক্যাপ্টেন আনোয়ার আদিল বলেন, বিমানটি আকাশে ওড়ার পর আমি ককপিটে যাই এবং জানতে পারি কয়েকজন বাড়তি যাত্রী আছেন, যাদের ট্রাফিক স্টাফরা উঠিয়ে দিয়েছিল। আমি আরও জানতে পারি কিছু মানুষ তাদের সিট পরিবর্তন করতে রাজি হচ্ছিলেন না। কিন্তু আমি বিমান নিয়ে আকাশে উঠে গিয়েছিলাম এবং সিনিয়র তত্ত্বাবধায়কও আমাকে বাড়তি যাত্রীদের কথা জানাননি। আর তাই আকাশে ওড়ার পর করাচিতে আবার অবতরণ করা সম্ভব ছিল না। এতে প্রচুর তেল ফেলে দিতে হত যা এয়ারলাইন্সের জন্য ভালো হত না।  

তবে বিমানে বিষয়টি যাত্রীর নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে এ ধরনের যাত্রীরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকবেন। তাদের জন্য অক্সিজেন ও অন্যান্য সুবিধাও থাকবে না বিমানে। বিমানে প্রতিটি যাত্রীর জন্য কম্পিউটারাইজ সিস্টেমে বোর্ডিং পাস দেওয়া হয়। জানা গেছে, অতিরিক্ত যাত্রীদের বোর্ডিং পাস স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নয় বরং হাতে লিখে ইস্যু করা হয়েছিল।  

বিডি প্রতিদিন/২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/ফারজানা

আপনার মন্তব্য

up-arrow