Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ৪ মার্চ, ২০১৭ ১২:৩৯ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ৪ মার্চ, ২০১৭ ১৪:৩১
নেপালে মোট গর্ভধারণের ৫০ শতাংশই অপ্রত্যাশিত!
অনলাইন ডেস্ক
নেপালে মোট গর্ভধারণের ৫০ শতাংশই অপ্রত্যাশিত!
ফাইল ছবি

সাধারণত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিয়ের আগে গর্ভধারণ নিয়ে নারীকে বেশি সামাজিক সমস্যা পোহাতে হয়। কারণ সমাজ বা নিজের পরিবারের সদস্যরা এটি মেনে নিতে চাননা।

সে কারণেই অনেক নারীকে আশ্রয় নিতে হয় গর্ভপাতের। আর এই জটিল কাজটি খুব কমই অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা সেরে থাকেন নারীরা। অনেক ক্ষেত্রেই অবৈধ ক্লিনিকে অল্প বিদ্যার লোকজনের হাতে গর্ভপাত হয়, যা কখনো কখনো মৃত্যুর কারণও হয়। সম্প্রতি একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এ ধরনের ঘটনা যেসব দেশে বেশি ঘটে থাকে, তার মধ্যে নেপাল অন্যতম। খবর বিবিসির।

ভিন্ন ভিন্ন সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, নেপালে মোট গর্ভধারণের মধ্যে ৫০ শতাংশই অপ্রত্যাশিত আর সে কারণে গর্ভপাতের সংখ্যাও অনেক বেশি। আবার নিরাপদ গর্ভপাতের ব্যবস্থাও সেখানে অপ্রতুল আর সেকারণেই দেশটিতে নিরাপদ গর্ভপাতে সহায়তায় কাজ করছে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা। কিন্তু এসব সংস্থাগুলোই এখন তাদের অর্থের বড় অংশ হারানোর পথে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন, যাতে করে যুক্তরাষ্ট্র গর্ভপাতে সহায়তাকারী সংস্থাগুলোকে কোনো অর্থ সাহায্য দিতে পারবেনা। এমনকি গর্ভপাত একটি বিকল্প এটি তারা কোনো নারীকে বলতেও পারবেনা।

এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সংস্থা ম্যারি স্টোপসের কর্মকর্তা সোফি হোডার জানান, বাস্তবতা হলো অর্থ সাহায্য কমিয়ে দেয়ায় যেসব নারীরা পরিবার পরিকল্পনার সুযোগ পাচ্ছিলোনা, তাদের জীবনের কোন পর্যায়ে হয়তো গর্ভপাতের প্রয়োজন হতে পারে।

জানা যায়, নেপালে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ব্যবহৃত হচ্ছিলো পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গুলোতে, যেগুলো নানা আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা পরিচালনা করছে। কিন্তু এ সেবাও এখন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার

আপনার মন্তব্য

up-arrow