Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : ১১ মার্চ, ২০১৭ ১১:৫১ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১১ মার্চ, ২০১৭ ১২:২২
পাঁচ রাজ্যে ভোট গণনা শুরু
ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ফের গেরুয়া ঝড়ের আভাস
দীপক দেবনাথ, কলকাতা:
ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ফের গেরুয়া ঝড়ের আভাস

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখন্ড, গোয়া, পাঞ্জাব এবং মণিপুরে সদ্য সমাপ্ত বিধানসভার ভোট গণনা শুরু হয়েছে। গত প্রায় এক মাস ধরে এই রাজ্যগুলিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

পাঁচ রাজ্যের মোট ৬৯০ টি বিধানসভা আসনে ভোট নেওয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন রয়েছে উত্তরপ্রদেশে, এ রাজ্যে মোট আসন ৪০৩ টি। এখন পর্যন্ত কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি এই রাজ্যে এগিয়ে রয়েছে ২৬০ টি আসনে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাজ্যটির শাসকদল সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ও কংগ্রেস জোট, তারা এগিয়ে রয়েছে ৭৬ টি আসনে। তবে এই নির্বাচনে কোন ছাপ ফেলতে পারেনি মায়াবতীর নেতৃত্বাধীন বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি), তারা এগিয়ে রয়েছে মাত্র ২৫ টি আসনে।
 
উত্তরপ্রদেশের মতো উত্তরাখন্ডেও বিজেপির দাপট দেখা যাচ্ছে। রাজ্যটির ৭০ টি আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৪৪ টি আসনে, কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ২০ টি আসনে।

গোয়ায় ৪০ টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১০ টি আসনে এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস, বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৬ টি আসনে।

পাঞ্জাবের ১১৭ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৪৯ টি আসনে।

আম আদমি পার্টি (আপ) এগিয়ে ২৪ টি আসনে এবং শাসকদল বিজেপি-শিরোমনি আকালি দলের জোট এগিয়ে রয়েছে মাত্র ২৪ টি আসনে।

পাঞ্জাবের মতো মণিপুরেও এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। ৬০ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৮ টিতে, বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৬ টি আসনে। তবে এখন পর্যন্ত ছাপ ফেলতে পারেননি আয়রন লেডি ইরম শর্মিলা চানু।

এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ইস্যু ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত। এই ইস্যুকে সামনে রেখেই বিরোধীরা তাদের নিজেদের মতো প্রচারণা করেছিল। কিন্তু বিরোধীদের সেই সমালোচনাকে পাত্তাই দেয়নি সাধারণ মানুষ। নোট বাতিলের পর বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের কাছে এটাই ছিল প্রথম বড় পরীক্ষা। কিন্তু সেই পরীক্ষায় একেবারে লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি। আর মোদির ঝড়ে বেলাইন হতে চলেছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা ও রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব ও কংগ্রেস সহসভাপতি রাহুল গান্ধী।

বিডি-প্রতিদিন/এস আহমেদ

আপনার মন্তব্য

up-arrow