Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৩ মার্চ, ২০১৮ ০২:৫২ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০১৮ ১৩:০৯
বিমানে থাকা বরিশালের ডা. পিয়াসের পরিবারে কান্নার রোল
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
বিমানে থাকা বরিশালের ডা. পিয়াসের পরিবারে কান্নার রোল
bd-pratidin

বিশ্ব ঘুরে দেখার নেশা ছিল বরিশাল নগরীর আব্দুল গফুর সড়কের বাসিন্দা মেডিকেল কলেজ থেকে সদস্য পাশ করা পিয়াস রায়ের। ইতোপূর্বে বহুবার ভারত ও নেপালসহ দেশের অভ্যন্তরীণ অনেক দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করে দেখেছেন তিনি। 

গোপালগঞ্জ হালিমা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সদ্য এমবিবিএস পাশ করে তৃতীয়বারের মতো তিনি ঘুরতে গিয়েছিলেন নেপালে। কিন্তু সোমবার দুপুরে নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন বিমান বন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে সেই বিমানের যাত্রী ছিলেন তিনি। 

দুর্ঘটনায় ৩২ বাংলাদেশিসহ মোট ৫০ জন নিহত হয়েছেন। ৭১ আরোহীর মধ্যে বাকিরা আহত ও নিখোঁজ রয়েছেন। তবে ডা. পিয়াস রায়ের ভাগ্যে কি ঘটেছে বা তার বর্তমান অবস্থা কি তা জানতে পারছেন না তার পরিবার। তাই নেপালে ইউএস বাংলার বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পিয়াসের পরিবারে চলছে আহাজারী। 

পিয়াসের মা পূর্না রানী মিস্ত্রী জানান, সোমবার বিমানে উঠার আগ মুহূর্তে ছেলে পিয়াসের সাথে সব শেষ কথা হয়েছিল। কিন্তু বিমান দুর্ঘটনায় একমাত্র ছেলের কি পরিণতি ঘটেছে তা নিশ্চিত করে জানতে পারছেন না তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা। 

পিয়াসের বাবা সুখেন্দু বিকাশ রায় জানান, তারা বিভিন্ন অনলাইন এবং টেলিভিশনের পর্দার দিকে তাকিয়ে আছেন ছেলের শেষ পরিণতি জানার জন্য। 

পিয়াস নগরীর গফুর সড়কের মধুকাঠি ভবনের বাসিন্দা ও ঝালকাঠির নলছিটির চন্দ্রকান্দা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুখেন্দু বিকাশ রায় এবং বরিশাল সরকারি পলিটেকনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পূর্ণা রানী রায় দম্পত্তির একমাত্র ছেলে। পিয়াসের একমাত্র ছোট বোন শুভ্রা রায় বরিশাল ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

বিডি প্রতিদিন/১৩ মার্চ ২০১৫/এনায়েত করিম

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow