Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৪ মার্চ, ২০১৮ ০৮:৫৮ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০১৮ ১০:৪৩
বিজেপি বিরোধী জোট শক্তিশালী করার চেষ্টা
দিল্লিতে সোনিয়ার নৈশভোজে বিরোধী নেতাদের উপস্থিতি
কলকাতা প্রতিনিধি:
দিল্লিতে সোনিয়ার নৈশভোজে বিরোধী নেতাদের উপস্থিতি
ফাইল ছবি

ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী জোটকে ঐক্যবদ্ধ করতে দেশটির কংগ্রেস নেত্রী ও দেশটির ‘সংযুক্ত প্রগতিশীল মোর্চা’ (ইউপিএ) চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর আমন্ত্রণে হাজির হন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা। মূলত বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক মোর্চা (এনডিএ)-কে পরাস্ত করতেই বিরোধী জোটের মহড়া হিসাবে মঙ্গলবার রাতে দিল্লির ১০ নম্বর জনপথে সোনিয়ার বাসভবনে নৈশভোঝের আয়োজন করেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন। 

সেখানে কংগ্রেস ছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেস, এনসিপি, সমাজবাদী পার্টি, রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি), সিপিআইএম, সিপিআই, ন্যাশনাল কংগ্রেস, সিপিআইএম, বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি) দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাঝাগাম (ডিএমকে), অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এআইইউডিএফ) সহ বিশটি বিরোধী দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। 

সোনিয়ার ডাকা এই নৈশভোজে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ছাড়াও কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাগড়ে, আহমেদ প্যাটেল, এ. কে.অ্যান্টনি, গুলাম নবি আজাদ ছাড়াও অন্য শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি’এর শরদ পাওয়ার, তৃণমূল কংগ্রেসের সুদীপ বন্দোপাধ্যায়, ডিএমকে নেতা কানিমোঝি, সমাজবাদী পার্টির রাম গোপাল যাদব, ঝাড়খন্ড বিকাশ মোর্চার বাবুলাল মারান্ডি, বিএসপি’এর সতীশ চন্দ্র মিশ্র, ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) নেতা ও জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা, এআইইউডিএফ প্রধান বদরুদ্দিন আজমল, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব ও মিশা ভারতী, সিপিআইএম সাংসদ মহম্মদ সেলিম প্রমুখ। 

আগামী বছরেই দেশটিতে লোকসভার নির্বাচন। ওই নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করতে সমস্ত বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার সম্ভবনার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ওই নেতারা। 

বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এর আগে সোনিয়া গান্ধী বিরোধী দলগুলিকে নিজের মতানৈক্য ভুলে একজোট হওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও একাধিকবার বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। 

তবে এদিনের নৈশভোজের পর কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা জানান, ‘রাজনীতির জন্য এই ডিনারের ব্যবস্থা করা হয়নি, এটা ছিল শুধুমাত্র সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের জন্য। এর কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না বরং বলা ভাল দেশে যখন বিভিন্ন ইস্যুর মুখোমুখি হয়েছে সেখানে দাঁড়িয়ে আমরা একটা পারিবারিক পরিবেশের মধ্যে আলোচনা করলাম’।


বিডি প্রতিদিন/১৪ মার্চ ২০১৮/হিমেল

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow