Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০২:৪৮ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০৪:১৩
কাশ্মীরকে প্রদেশ বানাতে নতুন পরিকল্পনা পাকিস্তানের
অনলাইন ডেস্ক
কাশ্মীরকে প্রদেশ বানাতে নতুন পরিকল্পনা পাকিস্তানের

ভারতের বিরোধিতা সত্ত্বেও পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে পাকিস্তান তার সীমার সঙ্গে জুড়তে নয়া পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে৷ অধিকৃত কাশ্মীরে পাক আইন চললেও এর শাসক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর তকমা পান। অন্যদিকে পিওকে লাগোনো রয়েছে পাকিস্তানে আরও একটি প্রদেশ বেলুচিস্তান।

বৃহস্পতিবার পাক সরকার একটি কমিটি গঠন করে, যেটি বেলুচিস্তান আইনি পরিস্থিতির ওপর সমীক্ষা করবে। তবে এই দুটি স্থানকে ভারত স্বাধীনতার পর থেকেই দাবি করে আসছে। ঠিক একইভাবে পাকিস্তানও দাবি করে। 

ফলে ১৯৪৮ সালে পাক উপজাতি হানাদার বাহিনী যখন স্বশাসিত তথা ‘স্বাধীন’ কাশ্মীরে হামলা চালায় তখন সেখানকার রাজা হরি সিং সরাসরি ভারতের সাহায্য চান। এবং জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতে অন্তর্ভুক্তি মেনে নিয়েছিলেন। তারপরেই ভারত সেনা পাঠায়।

সেই পাল্টা আক্রমণে শ্রীনগর দখল করার ঠিক আগেই হটে গিয়েছিল পাক উপজাতি বাহিনী। সংঘর্ষ শেষে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপে লাইন অফ কন্ট্রোল তৈরি হয়। তার একপাশে পড়ে জম্মু-কাশ্মীর অন্যপাশে পড়ে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর।এই অধিকৃত কাশ্মীরকে এখন নিজেদের প্রদেশ হিসেবে চিহ্নিত করতে উদ্যোগী পাক সরকার। 

জানা গেছে, দেশটির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই ১০ সদস্যের সমীক্ষা কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির বেঞ্চ অক্টোবরে এই স্থানকে পাকিস্তানের রাজ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সমীক্ষার নির্দেশ দেয়।

এদিকে সড়কপথে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে বাস পরিষেবা চালু করতে চলেছে চীন। লাহোর থেকে চীনের কাশগড় পর্যন্ত চলবে বিলাসবহুল বাস। চীনের এই বাস পরিষেবা নিয়ে প্রবল আপত্তি জানায় ভারত। কারণ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়েই এই বাস চালাবে চীন। 

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রবীশ কুমার জানিয়েছেন, অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়ে চীনের বাস চালানোর প্রবল বিরোধিতা করেছে নয়াদিল্লি।

এই বাস পরিষেবা প্রস্তাবিত চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের (সিপিইসি) অন্তর্ভুক্ত। ভারত শুরু থেকেই এই করিডরের বিরোধিতা করে আসছে। প্রস্তাবিত চীন-পাকিস্তান করিডরটি সেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্যে দিয়েই যাবেই।

রবীশ কুমার জানান, ১৯৬৩ সালে স্বাক্ষরিত চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি অবৈধ ও বাতিলের সমান। সেই চুক্তিকে ভারত সরকার স্বীকৃতি দেয় না। তাই পাক অধিকৃত জম্মু কাশ্মীরের এই বাস পরিষেবা ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে লঙ্ঘন করে। কলকাতা ২৪

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

আপনার মন্তব্য

up-arrow