Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ জুন, ২০১৬ ২৩:৫৭
ইইউ থেকে ব্রিটেনের বিচ্ছেদ
একসঙ্গে কাজ করবে জার্মানি ফ্রান্স
একসঙ্গে কাজ করবে জার্মানি ফ্রান্স

ব্রেক্সিট বিপর্যয় মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে ওঁলাদে বলেছেন, যুক্তরাজ্য যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা থেকে পিছিয়ে আসার উপায় নেই। এক সময় যা ছিল অচিন্তনীয়, এখন তা বাস্তব। পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গতকাল দিন শেষে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের আহ্বানে বৈঠকে বসছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ওঁলাদে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজি ও ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক। গতকালই মন্ত্রিপরিষদের এক বৈঠক আহ্বান করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একটি অধিবেশন আহ্বান করবেন। অন্যদিকে ব্রিটেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কনজার্ভেটিভ পার্টির নেতা ও লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহতভাবে জোরদার করবে ব্রিটেন। বিরোধী লেবার দলের অন্তর্কলহ থামছেই না। এ দলের নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, দলীয় নেতা নির্বাচনের যে কোনো নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির লন্ডন ও ব্রাসেলসে গিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে। তিনি রবিবার ইতালির রোম থেকে ব্রেক্সিট সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করেন। কেরি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, ব্রিটেনের সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। এরই মধ্যে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাঁ ক্লাউডি জাঙ্কার বলেছেন, অবিলম্বে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেন সরে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন পররাষ্ট্রমন্ত্রীও ব্রিটেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে দ্রুততম সময়ে বেরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড ইঙ্গিত দিয়েছেন এখনই কিছু ঘটছে না। তার এ কথাকে সমর্থন করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের চিফ অব স্টাফ পিটার আলতমেয়ার। তিনি বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিণতি পর্যালোচনা করার জন্য ব্রিটিশ রাজনীতিবিদদের কিছুটা সময় প্রয়োজন। এএফপি

এই পাতার আরো খবর
up-arrow