Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৭

প্রকাশ : শনিবার, ২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৫৮
ব্রিটেনের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি করছে না ইইউ
ব্রিটেনের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি করছে না ইইউ
সেসিলিয়া ম্যাল্মস্ট্রম

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ট্রেড কমিশনার  সেসিলিয়া ম্যাল্মস্ট্রম জানিয়েছেন, ইইউ ছাড়ার পরই  কেবলমাত্র ব্রিটেন নতুন করে এই জোটের সঙ্গে বাণিজ্য বিষয়ক কোনো চুক্তি নিয়ে আলাপ করতে পারবে। আর নতুন কোনো বাণিজ্য সম্পর্ক শুরুর আগ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা অর্থাৎ ডব্লিউটিওর নিয়ম অনুযায়ী ব্রিটেন ইইউর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে বলে জানিয়েছেন মিস ম্যাল্মস্ট্রম। গত সপ্তাহের গণভোটের পর এখন ব্রিটেনের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এত বছরের সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়নের প্রশ্ন সামনে এসেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ এর সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরও বছর দুয়েক প্রয়োজন হবে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে ব্রিটেন ইউরোপীয় এই জোটের সঙ্গে নতুন করে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিলেন ইইউর ট্রেড কমিশনার সেসিলিয়া ম্যাল্মস্ট্রম। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিস ম্যাল্মস্ট্রম বলেছেন, ব্রেক্সিটের পর এখন ইউরোপীয়দের কাছে ব্রিটেন ‘তৃতীয় একটি দেশ’। কানাডার সঙ্গে ইইউর সর্বশেষ যে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি সম্পন্ন হতে সময় লেগেছে সাত বছর। তাতে সম্মতি প্রয়োজন হয়েছে সব কটি ইইউভুক্ত রাষ্ট্রের। সেই সঙ্গে শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে, চুক্তির সব ধারা কার্যকর করতে অন্তত বছর খানেক পর্যন্ত সময় লাগবে। এর মানে হচ্ছে, সামনের দিনে ইইউর সঙ্গে ব্রিটিশ ব্যবসা বাণিজ্য মোটেই সহজ হবে না। তাছাড়া ডব্লিউটিওর চুক্তি মেনে ব্যবসা করতে গেলে সেটি ব্রিটেনের সেবা খাতের জন্য ভয়াবহ লোকসান ডেকে আনবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইইউ প্রশ্নে গণভোট আহ্বান চেক প্রেসিডেন্টের : যুক্তরাজ্যের পর এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যপদ নিয়ে গণভোট আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন চেক প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট মিলোস জিমান। ইইউর পাশাপাশি চেক প্রজাতন্ত্র ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত থাকবে, নাকি থাকবে না সে প্রশ্নেও গণভোটের আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। যদিও তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি চান তার দেশ উভয়  জোটের সদস্য থাকুক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চেক বেতারে এক অনুষ্ঠানে জিম্যান বলেন, যারা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করতে চায় আমি তাদের সঙ্গে একমত নই। কিন্তু তাদের জন্য একটি গণভোট আয়োজন করা এবং এর মধ্য দিয়ে তাদের ইচ্ছা প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমি সব কিছু করব।

ন্যাটোর সদস্য থাকা না থাকা নিয়েও গণভোট আয়োজনের চেষ্টা করব আমি। তবে  প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বলে জিম্যান গণভোটের আহ্বান করতে পারবেন না, এজন্য সাংবিধানিক সংশোধনীর প্রয়োজন পড়বে। কিন্তু জিম্যানের এই আহ্বান দেশটিতে সাড়া ফেলতে পারে। কারণ, চেক প্রজাতন্ত্রের বেশিরভাগ ভোটার ইইউর ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। তার ওপর জিম্যানের মতো প্রভাবশালী নেতা গণভোট আয়োজনের পক্ষে কথা বলছেন। ২০০৪ সালে চেক প্রজাতন্ত্র ইইউতে যোগ দেয়। বিবিসি, এএফপি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow