Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০১৭
প্রকাশ : বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ জুলাই, ২০১৬ ২৩:১৯
দক্ষিণ চীন সাগর চীনের নয়
আন্তর্জাতিক আদালতের রায়
না মানার ঘোষণা বেইজিংয়ের
দক্ষিণ চীন সাগর চীনের নয়
দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক মহড়া

দক্ষিণ চীন সাগর কার এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চীনের সঙ্গে কয়েকটি দেশের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। চীন দাবি করে আসছে এই সাগর তাদের। এ জন্য তারা সেখানে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি সামরিক আস্তানাও গেড়েছে। ফিলিপাইনও এই সাগরের দাবি করে আসছে। এ দাবিতে ফিলিপাইন দ্য হেগে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলাও করে। অবশেষে গতকাল এই আদালত রায় দিল, ফিলিপাইনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করছে চীন। নিজেদের বৈধ জলসীমার বাইরে গিয়ে চীন যেসব কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করেছে, সেগুলো চীনের নয়।

তবে চীন সঙ্গে সঙ্গেই তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, এই রায় ‘ভিত্তিহীন’। তারা এটা মানেন না। চীন অবশ্য আগেই জানিয়ে রেখেছিল, আন্তর্জাতিক আদালতের রায় বিরুদ্ধে  গেলে  তারা মানবে  না। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর ঘোষণা, চীন তার স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে।

এখন কী পরিস্থিতি দক্ষিণ চীন সাগরে? রায় ঘোষণার কয়েক দিন আগে থেকেই দক্ষিণ চীন সাগরের বিভিন্ন বিতর্কিত এলাকায় চীনা নৌসেনা মহড়া দিতে শুরু করেছে। গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং ফ্রিগেট পাঠিয়েছে সমুদ্রের সেই সব এলাকায়, যেগুলোকে ফিলিপাইন নিজেদের জলসীমা বলে দাবি করে। এমনকি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মহড়াও শুরু করেছে চীন।

সংঘাত কী নিয়ে? সাধারণত যে কোনো দেশের উপকূল  রেখা থেকে সমুদ্রের গভীরে ২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এলাকাকে সেই দেশের নিজস্ব জলসীমা হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু, বেইজিং গোটা দক্ষিণ চীন সাগরের ৯০ শতাংশকেই নিজেদের এলাকা বলে দাবি করছে। আর তাতেই আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। চীন সাগরকে ঘিরে যতগুলো দেশ রয়েছে, তার অধিকাংশের সঙ্গেই জলসীমা নিয়ে চীনের বিরোধ রয়েছে। ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, তাইওয়ান, জাপান সবকটি দেশের এ নিয়ে সংঘাত আছে। এদের মধ্যে তাদের জাপান সরাসরি সংঘাতের পথ বেছে নিয়েছে। আর ফিলিপাইন  আন্তর্জাতিক  আদালতের  দ্বারস্থ হয়েছিল। হেগের ট্রাইব্যুনাল গতকাল ফিলিপাইনের পক্ষে রায় দেওয়ায় অন্য দেশগুলোও স্বাভাবিকভাবেই উল্লসিত। এএফপি।

up-arrow