Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০১৬ ২৩:০৩
যে কারণে ব্যর্থ তুরস্ক অভ্যুত্থান

তুরস্কের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহী সেনারাই নিয়েছে বলে প্রথমে মনে হচ্ছিল। কারণ তখনো খোঁজ মিলছিল না প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের। ঘণ্টা কয়েকের ব্যবধানে পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যেতে থাকে। অভ্যুত্থান চেষ্টা ব্যর্থ হয়। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে তুরস্কে সেনা অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি অবকাশযাপন কেন্দ্রে ছিলেন এরদোগান। এই সময় একদল বিদ্রোহী সেনা প্রধান শহর আঙ্কারা ও ইস্তাম্বুলের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও স্থাপনা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। অভ্যুত্থানের এই পর্যায়ে অভ্যুত্থানকারীদের দরকার ছিল জনসমর্থন। বিশেষ করে  সেনাবাহিনীর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের সমর্থন ও সহযোগিতা। কিন্তু তারা তা পায়নি। শেষ পর্যন্ত নাটকীয়ভাবে দৃশ্যপটে হাজির হন এরদোগান।

স্মার্টফোন ব্যবহার করে সিএনএন টুর্কের মাধ্যমে অভ্যুত্থান প্রতিরোধের আহ্বান জানান এরদোগান। সবাইকে রাস্তায় নেমে আসতে বলেন তিনি। তার এই আহ্বানে দারুণ সাড়া পড়ে। একপর্যায়ে এরদোগান ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক বিমানবন্দরে হাজির হন। সেখানে সংবাদ সম্মেলন করেন। দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দেন, তুরস্কের নিয়ন্ত্রণ তার হাতেই। যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিন্তন প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউজের ফাদি হাকুরার ভাষ্য, অভ্যুত্থান শুরু হওয়ার আগেই তা ভেঙে পড়েছে। অভ্যুত্থানকারীরা বৃহৎ সামরিক সমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়েছে। ফাদি হাকুরা বলেন, এই অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক সমর্থন ছিল না। ছিল না জনগণেরও সমর্থন। বিবিসি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow