Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:৪৪
মিয়ানমার থেকে পুরো নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
মিয়ানমার থেকে পুরো নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সফল হলেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি, হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বিষয়টি নিশ্চিত করলেন —এএফপি

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। গত পরশু তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

সেই বৈঠকে ওবামার কাছে মিয়ানমারের ওপর থেকে সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান। এ প্রস্তাব পেয়ে যুক্তরাষ্ট্র তা তুলতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ওবামা।

মিয়ানমারে গত বছর বিপুল ভোটে নিজ দলের জয়ের মধ্য দিয়ে সু চি জাতীয় নেতা হওয়ার পর ওবামার সঙ্গে এটিই ছিল তার প্রথম বৈঠক। মিয়ানমারে দীর্ঘ সময় ধরে বহাল থাকা যেসব নিষেধাজ্ঞার কারণে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেসবই এখন তুলে নেওয়ার সময় হয়েছে বলে বৈঠকে জানান সু চি।

ওদিকে, ওবামাও মিয়ানমারের জনগণের জন্য এখন নিষেধাজ্ঞা তোলার পদক্ষেপ নেওয়াটাই সঠিক কাজ বলে মন্তব্য করেন। সামরিক জান্তার শাসনামলে মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে  রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন মিয়ানমারে জান্তার শাসনাবসান ঘটে সু চি বিরোধীদলীয় নেত্রী থেকে দেশনেত্রী হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটির সঙ্গে আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী। আর সে কারণেই মিয়ানমারে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে প্রস্তুত বলে জানাল যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র এ বছরের শুরুর দিকে মিয়ানমারে রাজনৈতিক সংস্কারকাজে সহায়তার জন্য দেশটির ওপর আরোপিত বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলেও অনেক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাই বহাল রাখে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মিয়ানমার সরকারে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের শাস্তি দিতেই এসব নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়।

মিয়ানমারে ৪৯ বছরের শাসনের পর ২০১১ সালে সরাসরি শাসন থেকে সরে যায় সেনাবাহিনী। তবে এরপরও রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর প্রভাব রয়ে যায় অনেকটাই। পার্লামেন্টের ২৫ শতাংশ আসন এবং গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মন্ত্রণালয়ই রয়ে যায় সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। সেনা-সমর্থিত খসড়া সংবিধান অনুযায়ী, সু চি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। এর বদলে রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এএফপি

up-arrow