Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:২০
এবার পাকিস্তানকে দেওয়া ‘মর্যাদা’ কেড়ে নেওয়ার চিন্তা ভারতের
এবার পাকিস্তানকে দেওয়া ‘মর্যাদা’ কেড়ে নেওয়ার চিন্তা ভারতের

সামনে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন। কিন্তু তার আগেই দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কে চরম অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে গত সপ্তাহে কাশ্মীরের উরি সেনাঘাঁটিতে জঙ্গি হামলার পর এ সম্পর্ক এখন যাচ্ছেতাই। এ হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের ইন্ধন আছে দাবি করে কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ভারত। যদিও পাকিস্তান এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। এরই মধ্যে গত পরশু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সিন্ধু নদের পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এরপর এবার বাণিজ্যিক দিক দিয়েও পাকিস্তানকে চাপের মুখে ফেলার চিন্তাভাবনা চলছে ভারতে। ১৯৯৬ সালে ভারত একতরফাভাবেই পাকিস্তানকে দিয়েছিল ‘মোস্ট ফেভরড নেশন’ (সৌহার্দ্যপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক)-এর মর্যাদা। যার ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার নিশ্চয়তা পেয়েছিল পাকিস্তান। উরি হামলার পর এখন সেটি ফিরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে ভারত। মোস্ট ফেভারড নেশনের তালিকা থেকে পাকিস্তানকে বাদ দেওয়ার প্রভাবটা প্রধানত প্রতীকী অর্থ বহন করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এনডিটিভির প্রতিবেদনে। কারণ ভারতের মোট বাণিজ্যের খুবই ক্ষুদ্র অংশজুড়ে আছে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য। পাকিস্তান ছাড়া বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম আছে ভারতের মোস্ট ফেভারড নেশনের তালিকায়।

নদীর পানি বন্ধ করতে পারে না ভারত : এদিকে পাকিস্তানগামী নদীগুলোর পানি ভারত একতরফাভাবে বন্ধ করতে পারে না। এমনি মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা সারতাজ আজিজ। ভারত এমন কাজ করলে তা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হবে বলেও নয়াদিল্লিকে হুঁশিয়ার করা হয়েছে। একদিন আগেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারত থেকে পাকিস্তানগামী নদীগুলোর পানি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘রক্ত ও পানি একসঙ্গে প্রবাহিত হতে পারে না’। উরির সেনাঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন মোদি। মোদির কথার জবাবে পাকিস্তান বলেছে, পানি বণ্টনের চুক্তি রয়েছে এমন নদীর পানি ভারত একতরফাভাবে বন্ধ করে দিতে পারে না। এরকম করা হলে তা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হবে। এনডিটিভি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow