Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:২০
ভালোবাসার টানে পেঙ্গুইন
ভালোবাসার টানে পেঙ্গুইন

২০১১ সালের ৫ সেপ্টেম্বরের কথা। ব্রাজিলের ইলহা গ্রান্ড দ্বীপের প্রোভেটায় আটকে পড়ে একটি পেঙ্গুইন।

মুমূর্ষু অবস্থায় সেটিকে দেখতে পান সেখানকার এক মৎস্যজীবী জায়োও প্রেইরা ডি সুজা। সারা দেহে তেল ও কাদামাটি লেগে চলার ক্ষমতা হারিয়ে একটি পাথরের ওপর পড়ে ছিল পেঙ্গুইনটি। ডি সুজা পেঙ্গুইনটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। সেবা-আত্তি করে সেটিকে সুস্থ করেন সুজা। পরে পেঙ্গুইনটির নাম দেন দিনদিম। এরপর ডি সুজা সাগরে ছেড়ে দেন দিনদিমকে। তারপর নিজের কাজে মন দেন সুজা। হঠাৎ একদির মাছ ধরার সময় সৈকতে দেখেন একটি পেঙ্গুইন তার কাছেই আসছে। আশ্চর্য হয়ে যায় সুজা। চিনতে পারেন আরে এটি তো দিনদিম যাকে সুস্থ করেছিলেন তিনি। তাহলে এতদিন পর দিনদিম কী কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছে সুজার কাছে? সত্যিই তাই। প্রতি বছরেই নির্দিষ্ট সময় পরে দিনদিম চলে আসে প্রোভেটায়। যেখানে সুজা মাছ ধরে। দিনদিম শুধু দ্বীপেই আসেনি, বন্ধুর বাড়ি পর্যন্ত চলে যায়। না, এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। ২০১১ সালের পর প্রতিবছর দিনদিম তার মানুষ-বন্ধু ডি সুজার সঙ্গে  দেখা করতে আসে। এ জন্য তাকে পাড়ি দিতে হয় ৮ হাজার ৪৬ কিলোমিটার। তবু দিনদিম আসে। বছরের প্রায় ৮ মাস ডি সুজার সঙ্গে কাটায়। বাকি সময় প্রজননের জন্য আর্জেন্টিনা ও চিলির উপকূলে থাকে। এ সময় ডি সুজার বাড়ি থেকে প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকতে হয় তাকে। প্রায় ৫০০ মাইল সাঁতরে মানুষ-বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে আসছে পেঙ্গুইন। সত্যিই অভূতপূর্ব। ডেইলি মেইল।

up-arrow