Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:১৭
ছদ্মবেশ নিয়েও রক্ষা পেল না সন্ত্রাসী হাসান
কলকাতায় মার্কিন সেন্টারে হামলা
কলকাতা প্রতিনিধি

২০০২ সালে কলকাতায় আমেরিকান সেন্টারে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িত অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী ইমাম হাসানকে (৪৪) আটক করেছে গুজরাটের অপরাধ দমন শাখা এটিএস। সোমবার এটিএসের পুলিশ সুপার হিমাংশু শুক্লা জানান, ‘শনিবার রাতে বিহারের আওরঙ্গবাদ থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক ইমাম হাসানকে কলকাতা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে। ’ এটিএস জানিয়েছে বিহারের গয়া জেলার বাসিন্দা ইমাম নাম পরিবর্তন করে আওরঙ্গবাদে একটি পোশাকের দোকান চালাত। আমেরিকান সেন্টারে হামলার মূল ষড়যন্ত্রী আফতাব আনসারির ঘনিষ্ঠ ছিল ইমাম। হামলার পরই বিহারের হাজারীবাগে গা-ঢাকা দেয় সে। হামলায় যুক্ত থাকার অভিযোগ ফাঁসির খাঁড়া ঝুলছে আফতাব আনসারি ও ইমামের মামা জামালউদ্দিন নাসিরের ওপর। এটিএসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদ-ই-ইসলামি (হুজি)-এর অন্যতম সদস্য হলো এই ইমাম। আরেকটি জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ইমামের। এ ছাড়াও ‘আসিফ রাজা কমান্ডো ফোর্স’ (এআরসিএফ) নামে আরেকটি ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিল সে। ২০০১ সালে গুজরাট পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ইন্ডিয়ান মুজাহিদীনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আসিফ রাজার প্রতিশোধ নিতেই আসিফ রাজা কমান্ডো ফোর্স তৈরি করা হয়েছিল। ২০০২ সালের ২২ জানুয়ারি সকাল ৬.১৫ মিনিট নাগাদ কলকাতার আমেরিকান কালচারাল সেন্টারে জঙ্গিরা হামলা চালানো হয়। শীতের সকালে জঙ্গিরা পুরো শরীর শালে ঢেকে মোটরসাইলে চেপে আমেরিকান সেন্টারে ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের দিকে জঙ্গিরা একে-৪৭ থেকে গুলি চালায়। হামলায় ৬ পুলিশ কর্মী নিহত হয়, আহত হয় ১৪ জন। ওই হামলার পর দুটি সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করে। এর মধ্যে একটি হুজি, অন্যটি আসিফ রাজা কমান্ডো। এদিকে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায় ৬ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে আটক করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কান্নুর ও কজিখোদ জেলা থেকে তাদের আটক করা হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow