Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১১ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:১৯
তালেবান প্রধান হাইবাতুল্লাহ ইমামতি করতেন পাকিস্তানে

আফগানিস্তানে এখন তালেবান প্রধান হাইবাতুল্লাহ আখন্দজাদা। সংগঠনটির নেতা হওয়ার পর থেকেই তিনি আর জনসম্মুখে নেই।

মাস পাঁচেক আগে অজ্ঞাতবাসে চলে যাওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত প্রায় ১৫ বছর ধরে পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বালুচিস্তানের একটি মসজিদে নামাজ পড়াতেন এবং ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ওই মসজিদে তার সহযোগী এবং শিক্ষার্থীদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

বালুচিস্তানের রাজধানী কুয়েটার নিকটবর্তী ছোট্ট শহর কুচলাকের আল-হাজ মসজিদেই কেটেছে আখন্দজাদার ১৫ বছর। প্রকাশ্যেই তিনি তালেবানের পক্ষে প্রচারণা চালাতেন। পাকিস্তান সরকার জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালালেও কুয়েটা ও আশপাশের অঞ্চলে তালেবানি মতানুসারে ধর্মচর্চা এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে জানা  গেছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া ব্যুরোর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হাইবাতুল্লাহ আখন্দজাদার অতীত বা বর্তমান ঠিকানা সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলার মতো তথ্য তাদের কাছে নেই। মার্কিন ড্রোন হামলায় মোল্লা আখতার মনসুর নিহত হওয়ার পর আখন্দজাদাকে তালেবানের ‘আমির’ নিযুক্ত করা হয়। এর আগে পাঁচ বছর আগে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের নিকটবর্তী অ্যাবোটাবাদে মার্কিন কমান্ডো অভিযানে তৎকালীন তালেবান প্রধান ওসামা বিন-লাদেনকে হত্যা করা হয়।

বর্তমানে আল-হাজ মসজিদটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা হাফিজ আবদুল মজিদ জানান, ‘আমির হওয়ার পর তিনি তার পুরো পরিবার নিয়ে চলে যান। ’ হাফিজ আরও জানান, তিনি নিজেও আখন্দজাদার ছাত্র ছিলেন।

মজিদ আরও জানান, আখন্দজাদা সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পড়াতেন। আর এজন্য তিনি প্রতিমাসে ১০ হাজার পাকিস্তানি রুপি করে বেতন  পেতেন।

তিনি বলেন, ‘তিনি চলে যাওয়ায় আমরা ব্যথিত, কারণ তিনি খুব ভালো শিক্ষক ছিলেন। ’

মজিদ ছাড়াও মসজিদের আরও অনেকেই আখন্দজাদার পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। তবে তারা নিজেদের নাম প্রকাশ করতে চাননি বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

up-arrow