Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:০৬
মসুল থেকে আইএস তাড়াতে দুই মাস লাগতে পারে
কুর্দি জেনারেল বারজানির ধারণা

ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুল। এই শহরেই এখন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) শেষ শক্ত ঘাঁটি।

মসুল পুনরুদ্ধারের গত সোমবার থেকে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে ইরাক সরকার। তবে অভিযানের পথে জঙ্গিদের পুঁতে রাখা মাইন ও ফাঁদের কারণে ইরাকি বাহিনীর গতি মন্থর হয়ে পড়েছে। তারপরও গতকাল তৃতীয় দিনের অভিযান সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। ইরাকি বাহিনীর সঙ্গে আরও আছে কুর্দি পেশমেরগা বাহিনী ও মার্কিন বিমান বাহিনী। কুর্দি পেশমেরগা বাহিনী মুসলের প্রান্ত থেকে এখনো বেশ দূরে রয়েছে। তারা মসুলের পথে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কমপক্ষে ২০টি গ্রাম দখল করে নিয়েছে। ইরাকি সেনাবাহিনী ও পেশমেরগা বাহিনীর কমান্ডাররা জানিয়েছেন, আইএস যোদ্ধাদের প্রতিরোধ সত্ত্বেও পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান অব্যাহত আছে। তবে খারাপ আবহাওয়া এবং জটিল রাজনৈতিক সমীকরণের ফলে ইরাকি বাহিনীর মসুল শহরে পৌঁছাতে দুই সপ্তাহ লেগে যেতে পারে, আর মসুলকে আইএসের কবল থেকে মুক্ত করতে দুই মাস সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন কুর্দি পেশমেরগা বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সিরওয়ান বারজানি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বারজানি বলেন, ‘আমার ধারণা, মসুল যুদ্ধে দুই মাস লেগে যাবে। তবে এখানে আবহাওয়া একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যা এই প্রক্রিয়াকে আরও বিলম্ব করাতে পারে। ’ এদিকে গতকাল ইরাকি সেনাবাহিনী লে. জেনারেল কাসেম আল মালিকি গত ৪৮ ঘণ্টার সাফল্য তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরাকি বাহিনী মসুলে আইএসের মূল ঘাঁটি থেকে ৩ থেকে ৪ মাইল দূরে অবস্থান করছে। সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে কমপক্ষে ১৩টি গ্রাম নিজেদের দখলে নিয়েছে। গত দুই দিনের যুদ্ধে কমপক্ষে ৫০ জন আইএস জঙ্গি নিহত হয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর দুজন সদস্য নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মালিকি।

বাধা ডিঙিয়ে পালাচ্ছেন মানুষ : বড় ধরনের লড়াইকে সামনে রেখে মসুল ছাড়ছেন সেখানকার বাসিন্দারা। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের হিসাব অনুযায়ী, এরই মধ্যে ৯০০ মানুষ মসুল শহর ছেড়েছেন এবং সীমান্ত পার হয়ে তারা সিরিয়ায় ঢুকেছেন।

রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে আইএস: আইএস ইরাকি বাহিনীর বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। মার্কিন বিশেষজ্ঞদের একটি দল এই আশঙ্কা করছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow