Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৪৪
কৃত্রিম ধমনিও বানিয়ে ফেললেন বিজ্ঞানীরা
কৃত্রিম ধমনিও বানিয়ে ফেললেন বিজ্ঞানীরা

অতটুকু শিশু, তার শরীরে হয়তো আর বার বার ছুরি, কাঁচি চালাতে হবে না! একটা শিশুকে হয়তো আর বিঁধতে হবে না অস্ত্রোপচারের হাজারো ধারালো ‘অস্ত্রে’! শরীরের ভিতর হাজার হাজার ধমনি। তার ভিতর দিয়ে চলাচল করছে রক্ত। সেই রক্ত চলাচলে যদি বাধার সৃষ্টি হয় তাহলেই সেটি হার্ট অ্যাটাক। কিন্তু এই হার্ট অ্যাটাকের দিন মনে হয় শেষ হয়ে আসছে। বিজ্ঞানীরা এ জন্য কৃত্রিম ধমনি সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্য দিয়ে কোনো বাধা, বিপত্তি ছাড়াই তরতরিয়ে বইতে পারবে রক্তস্রোত। আর যেটা আশ্চর্য করার মতো তা হলো, একটা ছোট্ট টিউবের মতো কৃত্রিম ধমনি মানুষের শরীরে বসিয়ে দেওয়া হলে, তা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় বাড় বাড়বে। এ জন্য বাইরে থেকে কিছুই করতে হবে না। নিতে হবে না কোনো কৃত্রিম উপায়। মজার ব্যাপার হচ্ছে আর দু-তিন বছরের মধ্যেই বাজারে আসছে এই কৃত্রিম ধমনি। এমনি আশাবাদ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। চমকে দেওয়ার মতো এই আবিষ্কারটি করেছে আমেরিকার মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক রবার্ট ট্রাঙ্কুইল্লোর নেতৃত্বে একটি গবেষক দল। যে দলে রয়েছেন একজন ভারতীয় নারীও। বিশ্ববিদ্যালয়টির বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা কুলকার্নি জানান, ‘আমরা ছোট্ট ভেড়ার গায়ের চামড়ার কোষের সঙ্গে জিল্যাটিনের মতো একটা রাসায়নিক পদার্থ (ফাইব্রিন) মিশিয়ে ওই কৃত্রিম ধমনির টিউবটাকে বানিয়েছি। তারপর টানা পাঁচ সপ্তাহ ধরে ভেড়াটির শরীরের কোষ, কলাগুলোকে একটু একটু করে গায়ে-গতরে বাড়িয়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর পদার্থ (নিউট্রিয়েন্টস) আমরা বায়ো-রিঅ্যাক্টরের মাধ্যমে ওই টিউবে ঢুকিয়েছি। তার পর ওই টিউবটিকে একটি বিশেষ ধরনের ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে তার গায়ে লেগে থাকা ভেড়ার চামড়ার কোষগুলোকে সরিয়ে দিয়েছি। কারণ, ওই কোষগুলোর স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কৃত্রিম ধমনিতে রক্তস্রোত বাধা পেতে পারে। তা আটকে যেতে পারে। অনলাইন।

up-arrow