Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৫৯
অভিবাসন প্রশ্নে সুর নরম ট্রাম্পের
অভিবাসন প্রশ্নে সুর নরম ট্রাম্পের

অবশেষে অভিবাসন নিয়ে সুর নরম হতে শুরু করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। মাস দেড়েক আগে ব্যবসায়ী থেকে  প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসেই ‘যা ইচ্ছে’ ঘোষণা দিতে থাকেন ট্রাম্প।

এরমধ্যে অন্যতম ছিল সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষেধের নির্দেশনা। অবশ্য আদালত ট্রাম্পের এই আদেশ বাতিল করে দেয়। তারপরও ট্রাম্প ঘোষণা দেন অন্যকোনো উপায়ে তিনি ওইসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বন্ধ করবেন। অবশেষে সেই কট্টোর মনোভাব থেকে বের করে আনতে পারছেন তার উপদেষ্টারা।

মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি ‘অনিবন্ধিত অভিবাসী’দের মধ্যে যাদের অপরাধকর্মের রেকর্ড নেই এবং যারা কর্মী হিসেবে দক্ষ, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অধিকার রক্ষার ইঙ্গিত দেন। এদিন মেধাভিত্তিক নতুন অভিবাসন নীতি গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

অধিবেশনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যদি মার্কিন নাগরিকদের ভালোর কথা চিন্তা করি তবে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এতে করে বিগত কয়েক দশক ধরে চলা সংকটের সমাধান হবে। ’ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অভিবাসীদের নিয়ে বিরূপ ও নেতিবাচক মন্তব্য করা ট্রাম্প এবার অভিবাসীদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হবেন বলে ইঙ্গিত দেন।

এর আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, অভিবাসনের ব্যাপারে কিছুটা শিথিল হবেন তিনি। ট্রাম্পের এমন মনোভাবে ডেমোক্রেটদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অবাক হয়েছেন রিপাবলিকানদের একাংশও। ট্রাম্প প্রশাসন থেকে অভিবাসন নীতির ব্যাপারে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, এক কোটিরও বেশি অভিবাসী দেশটিতে অবৈধভাবে বাস করছে। তারা হয়তো কোনো আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বসবাসের অনুমতি পেতে পারেন। তবে যারা শিশু অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন তাদের ব্যাপারে হয়তো ব্যতিক্রমী কিছু হতে যাচ্ছে। এদিকে ফ্লোরিডার সিনেটর রিপাবলিকান নেতা মার্কো রুবিও চার বছর তৈরি করা একটি অভিবাসন নীতি সামনে এনে বলেন, এই ফরম্যাটের ব্যাপারে তিনি আগ্রহী। তিনি বলেন, বেশিরভাগ মানুষ অভিবাসন নীতি পরিবর্তনের পক্ষে। এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নতুন নির্বাহী আদেশে ইরাকের নাগরিকদের আমেরিকায় ঢোকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে পারেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গতকাল এএপি এ তথ্য জানিয়েছে।

up-arrow