Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : বুধবার, ৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৭ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৪৬
কী আছে ট্রাম্পের নতুন মুসলিম নিষেধাজ্ঞায়
কী আছে ট্রাম্পের নতুন মুসলিম নিষেধাজ্ঞায়

মুসলিমবিদ্বেষ কমছেই না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তাই ক্ষমতায় এসেই সাত মুসলিমপ্রধান দেশ ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে নির্বাহী আদেশ জারি করেন।

যদিও সেই আদেশ ধোপে টেকেনি আদালতের কাছে। কিন্তু ট্রাম্প নাছোড়বান্দা গত পরশু আবার সেই আদেশ জারি করেছেন। তবে এবার প্রথম তালিকায় থাকা সাতটি দেশের মধ্যে ইরাকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আগের নিষেধাজ্ঞায় যেসব বিষয় নিয়ে বিতর্ক উঠেছিল সেগুলোয় পরিবর্তন এনেছেন ট্রাম্প। নতুন নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত কিছু তথ্য :

কার্যকরের তারিখ : প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পরপরই তা কার্যকর হচ্ছে না। এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে ১৬ মার্চ থেকে। এর আগে ২৭ জানুয়ারির নিষেধাজ্ঞা ট্রাম্পের স্বাক্ষরের পরপরই কার্যকর হয়েছিল। যদিও আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দেয়। কিন্তু ওই নিষেধাজ্ঞা জারি ও বাতিল সময়ের মধ্যে হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ে।

ইরাককে বাদ দেওয়া : জঙ্গি সংগঠন আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সহযোগী ইরাক। মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতার জন্য এবারের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েনি দেশটি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন সোমবার জানান, ইরাকে স্ক্রিনিং কার্যক্রম জোরদার করার জন্যই দেশটিকে এবারের নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘ইরাক আমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। আমরা চাই, ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশও এভাবে এগিয়ে আসুক। ’

সিরীয় শরণার্থীদের অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞায় পরিবর্তন : আগের নিষেধাজ্ঞায় সিরীয় শরণার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অনির্দিষ্টকালের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে এবারের নিষেধাজ্ঞায় ছয়টি দেশের ওপরই ৯০ দিনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নতুন নিষেধাজ্ঞায় গ্রিন কার্ডধারীরা এর আওতায় পড়ছেন না।

আরও ১৩/১৪টি রাষ্ট্র বিশেষ নজরদারিতে : প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জারি করা সর্বশেষ সংশোধিত নির্বাহী আদেশে ৬ মুসলিম প্রধান দেশ ছাড়া আরও ১৩/১৪টি দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রদানের ব্যাপারে কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির আওতায় রাখা হয়েছে। ট্রাম্পের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী (অভিবাসন দফতরের দায়িত্বও তার হাতে) জন কেলি ৬ মার্চ ওই নির্বাহী আদেশ জারির কিছুক্ষণ পর সিএনএন’র চলতি পরিস্থিতি শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, আরও ১৩ অথবা ১৪টি দেশ বিশেষ নজরদারিতে রয়েছে। এগুলো শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নয়, বিশ্বের অন্য অঞ্চলেরও দেশ এবং সেগুলো শুধু মুসলিম প্রধান দেশই নয়, অন্য জাতিগোষ্ঠীর দেশও রয়েছে। কেলি অবশ্য এসব দেশের নাম প্রকাশ করেননি। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে ইরাকের মতো যদি অপর দেশগুলোও অকৃত্রিমভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সহযাত্রী হয়, তাহলে তাদের ব্যাপারে কঠোর কোনো পদক্ষেপ অবলম্বন করা হবে না। আর যদি তেমনটি না ঘটে, তাহলে অবশ্যই ওইসব দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রদানেও কঠোর মনোভাব অবলম্বন করা হবে। বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow