Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • বিচারবর্হিভূত হত্যার মাধ্যমে অপরাধ দমন সম্ভব নয়: বিএনপি
  • নাজিমের পরিবারকে কেন কোটি টাকা দেয়া হবে না : হাইকোর্ট
  • খালেদের অভ্যুত্থানের ডাক, যুবরাজ সালমানের নীরবতা নিয়ে বাড়ছে সন্দেহ!
  • ইকার্দিকে বাদ দিয়ে আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত দল ঘোষণা
  • রাজীবের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ স্থগিত, তদন্তের নির্দেশ
  • ৯ জেলায় 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ১১
  • কক্ষপথে পৌঁছেছে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১২ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৪৮
ধর্ষণের অভিযোগ করে হেনস্তার শিকার রোহিঙ্গা নারী

মিয়ানমারের সৈন্যরা যখন গত অক্টোবরে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল। সেটা ছিল রোহিঙ্গাদের জন্য নরক যন্ত্রণার সামিল। অভিযানের নামে সেখানে গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল, নারীদের ধর্ষণ করা হয়েছিল। এ অবস্থায় রাখাইনে ধর্ষণের শিকার এক মহিলা যখন ধর্ষণের অভিযোগ করেন তখন দেশটির নেত্রী অং সান সুচির দফতর থেকে বলা হয়েছিল তিনি মিথ্যা বলছেন আর এ বক্তব্যের পর প্রতিশোধপরায়ণ সৈন্যরা তাকে হেনস্থা করেছিল। ওই নারীর নাম জামালিদা। তিনি বিবিসিকে বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা একদিন গ্রামে ঢুকে ৩০ জন নারীকে তুলে নিয়ে যায়। যার অর্ধেকের বয়স ১২ থেকে ১৫-এর মধ্যে।  সৈন্যরা তাদের গ্রামের স্কুলে নিয়ে যায়। এরপর ওই ৩০ জনের মধ্য থেকে তারা চারজনকে বেছে নেয়, বলেন জামালিদা। আমি আর তিনজন অল্পবয়সী মেয়ে। আমাদের আলাদা করে দেওয়া হয়। সৈন্যরা আমাকে স্কুলের পূব দিকে পুকুরধারে নিয়ে যায়। অন্য সাতজন সৈন্য বাকি তিনজনকে স্কুলের দক্ষিণ দিকে পাহাড়ে নিয়ে যায়। ওরা চিৎকার করে আমাকে আমার পোশাক খুলতে বলে। আমি রাজি না হলে আমাকে মারতে শুরু করে, আমার জামা ধরে টেনে আমাকে মাটিতে ঠেলে ফেলে দেয়। তিনজন সৈন্য আমাকে ধর্ষণ ও   অত্যাচার করে। আমাদের শরীরের নিচের অংশ রক্তে ভেসে যাচ্ছিল। আমার পায়ের পেশিতে টান ধরেছিল। ওরা আমার চোখে ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করেছিল। বিবিসি

এই পাতার আরো খবর
up-arrow