Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:৪৩

চাঁদে থাকার আয়োজন

চাঁদে থাকার আয়োজন
চাঁদে দীর্ঘদিন থাকার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন নাসার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিম ব্রিডেনস্টাইন -নাসা

সর্বোচ্চ হলে বড় জোর এক দশক। ২০২৮ সালের মধ্যে তো বটেই। ফের চাঁদে যাচ্ছে আমেরিকা। চাঁদের মাটিতে ফের পোঁতা হবে মার্কিন পতাকা। পাঠানো হচ্ছে ৩ থেকে ৭ জন মহাকাশচারী। আর তাঁরা এবার কয়েক ঘণ্টা বা দিন কয়েকের জন্য যাবেন না চাঁদে। চাঁদের জমিনে তাঁরা থাকবেন মাস কয়েক। প্রয়োজনে তা ৬ মাসও হতে পারে। তাঁদের কাজ হবে চাঁদের জমিনে সভ্যতা গড়ে তোলার ব্যবস্থা, নিয়মিত পৃথিবী থেকে চাঁদে যাওয়া-আসার ব্যবস্থা করা। নাসার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিম ব্রিডেনস্টাইন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। আজ থেকে ৫০ বছর আগে ‘অ্যাপোলো-১১’ মহাকাশযানে চড়ে তিন মার্কিন মহাকাশচারী গিয়েছিলেন চাঁদে। চাঁদের মাটিতে নেমেছিলেন দুই মার্কিন মহাকাশচারী নিল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন। সাড়ে ২১ ঘণ্টার জন্য। তাঁরা চাঁদের মাটিতে পুঁতেছিলেন আমেরিকার পতাকা। তুলে নিয়ে এসেছিলেন চাঁদের মাটি। কিন্তু এবার অন্য রকম হবে। ব্রিডেনস্টাইন জানিয়েছেন, এবার আরও অনেক রকমের জটিল কাজ করতে হবে চাঁদের মাটিতে নেমে। যাতে আগামী দিনে চাঁদে মানুষ পাঠানো যায়। সেখানেও গড়ে তোলা যায় মানুষের থাকার জায়গা। যাতে চাঁদকে

ট্রান্সপোর্টেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলে সেখান থেকে মঙ্গলের মতো ভিনগ্রহে পাঠানো যায়

মহাকাশযান। তাতে ভিনগ্রহ অভিযানের সময় কমবে। কমবে জ্বালানির খরচও। নাসার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা কথায়, ‘চাঁদকে বাসযোগ্য করে তোলার কাজটা এবার আমরাই শুরু করব চাঁদে গিয়ে। যাতে মাঝেমধ্যেই মহাকাশযানে চাপিয়ে মানুষ নিয়ে যাওয়া যায় চাঁদে। আবার কিছুদিন পর তাঁদের ফিরিয়ে আনা যায়। চাঁদে যাওয়া-আসাটা যেন আমাদের কাছে জলভাত হয়ে যায়।’ নাসা


আপনার মন্তব্য