Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:২৩

নির্ধারিত সময়ে ব্রেক্সিটে অনড় মে

নির্ধারিত সময়ে ব্রেক্সিটে অনড় মে

ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দলের তিন সংসদ সদস্য দলত্যাগ করলেও প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদন করে নির্ধারিত সময়ে ইইউ ত্যাগ করতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন। ইইউ এখনো তাঁকে কোনো ছাড় দেয়নি। ব্রেক্সিটের তারিখ এগিয়ে আসা সত্ত্বেও ব্রিটিশ রাজনৈতিক জগতে অস্থিরতা কাটার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। উল্টো একের পর এক সংসদ সদস্য দুই প্রধান দল ছেড়ে চলে গিয়ে সংসদে বিভাজনের মাত্রা আরও স্পষ্ট করে তুলছেন। লেবার দলের আটজন সদস্যের পদত্যাগের পর বুধবার ক্ষমতাসীন টোরি দলের তিনজন সদস্যও সেই পথ বেছে নিয়েছেন। আগামী দিনগুলোতেও দলত্যাগের এ প্রবণতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দলত্যাগী সংসদ সদস্যরা নতুন এক গোষ্ঠী সৃষ্টি করে বিরোধী উদারপন্থি দলকেও তাতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এ অবস্থায় ব্রেক্সিটের প্রশ্নে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার কাজ সরকারের পক্ষে আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি সত্ত্বেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে নিজের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। বুধবার তিনি ব্রাসেলসে গিয়ে আবার ব্রেক্সিট চুক্তিতে রদবদলের পক্ষে সওয়াল করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নও এ প্রশ্নে নিজস্ব সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। তা সত্ত্বেও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জঁ ক্লোদ ইয়ুংকারের সঙ্গে আলোচনার পর মে সংলাপে অগ্রগতির দাবি করেন। ইয়ুংকারও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। দুপক্ষ জট কাটাতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে। উল্লেখ্য, আইরিশ সীমান্তে প্রস্তাবিত ‘ব্যাকস্টপ’ ব্যবস্থার ফলে ব্রিটেন স্থায়ীভাবে ইউরোপীয় শুল্ক কাঠামোয় আটকা পড়ে যাবে, এমন আশঙ্কা এড়াতে আইনসিদ্ধ বোঝাপড়া চান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। মূল ব্রেক্সিট চুক্তির বাইরে এ ক্ষেত্রে বোঝাপড়ার উদ্যোগ চলছে। মে বলেন, ব্রেক্সিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী স্টিফেন বার্কলে ও ব্রিটেনের অ্যাটর্নি জেনারেল জিওফ্রি কক্স বৃহস্পতিবার (গতকাল) ব্রাসেলস সফর করে এ বিষয়ে অগ্রগতির চেষ্টা চালাবেন। কোনো সম্ভাব্য অগ্রগতি সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল সন্তুষ্টি প্রকাশ করলে সংসদ সদস্যরাও ব্রেক্সিট চুক্তির পক্ষে ভোট দেবেন বলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আশা করছেন। বিরোধী লেবার দলের নেতা জেরেমি কর্বিন-ও বৃহস্পতিবার ব্রাসেলস সফর করছেন। চলতি মাসের শেষেই মে ও ইয়ুংকার আবার সাক্ষাৎ করবেন বলে জানিয়েছেন।

এমন অচলাবস্থার ফলে চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিটের আশঙ্কা আরও বেড়ে যাচ্ছে? ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বলেছেন, এ ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে? ডয়েচে ভেলে


আপনার মন্তব্য