Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬

প্রকাশ : ৯ জুন, ২০১৬ ১০:৪৮
পূর্ববর্তী নবীদের আমলেও রোজা ফরজ ছিল
মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল খালেক
পূর্ববর্তী নবীদের আমলেও রোজা ফরজ ছিল

সিয়াম বা রোজার প্রচলন হজরত আদম (আ.)-এর সময় থেকে। তবে সে সময় সুনির্দিষ্টভাবে কোনো বিশেষ মাসে রোজা পালনে কোনো তথ্য প্রমাণ নেই। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে রসুল পাক (সা.)-এর পূর্ববর্তী নবীদের আমলেও রোজা ফরজ ছিল। অর্থাৎ আগের সব শরীয়তে রোজাকে ফরজ করা হয়েছে। হজরত নূহ (আ.) এবং হজরত দাউদ (আ.)-এর সময়ও রোজা পালন করা হতো। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত ইবনে আমরকে রোজা পালনের আদেশ দেন এভাবে— ‘আল্লাহর কাছে যে রোজা উত্তম সে রোজা রাখ। আর সে রোজা হলো যা দাউদ রেখেছেন। তিনি একদিন রোজা রাখতেন আরেকদিন ইফতার করতেন। (মুসলিম)

রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপরোক্ত হাদিস থেকে আমরা নিশ্চিত হতে পারি হজরত দাউদের আমলে রোজার প্রচলন ছিল। হজরত ইসা (আ.)-এর আমলেও রোজার প্রচলন ছিল। ইঞ্জিল শরিফে দার বাদশাহর সময়ে বাইতুল ইলের বাসিন্দা ও বনি ইয়াহুদাদের প্রতি রোজা রাখার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতদের আগে যে রোজা প্রচলিত ছিল তা ছিল কঠোর। কিন্তু আল্লাহ আখেরি নবীর উম্মতদের জন্য তা সহজ করে দেন। ইসলামে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সব মানুষের জন্য রোজা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে এই বাধ্যতামূলক করার ক্ষেত্রে রোগাক্রান্ত ব্যক্তি, বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী বা যারা শারীরিকভাবে রোজা পালনে অক্ষম তাদের জন্য শিথিলতার সুযোগ রয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহপাক বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে কেউ অসুস্থ অথবা ভ্রমণরত থাকবে, তার জন্য উল্লিখিত সংখ্যক রোজা অন্য সময় রাখতে হবে। আর যারা রোজা রাখতে অক্ষম, তাদের বিনিময়স্বরূপ (প্রতিদিনের জন্য) একজন করে মিসকিনকে খাবার দিতে হবে।’

লেখক : ইসলামী গবেষক।

বিডি-প্রতিদিন/০৯ জুন, ২০১৬/মাহবুব




আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow