Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর, ২০১৬ ১৩:৩৮
‘চিচিংফাঁক’ বললেই ঠাকুর দর্শন!
অনলাইন ডেস্ক
‘চিচিংফাঁক’ বললেই ঠাকুর দর্শন!

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দাসপুর থানার সোনাখালি স্কুলপাড়া সার্বজনীন দুর্গাউৎসবের এবার ১৬ তম বছর৷ প্রতিবারই কিছু না কিছু ব্যতিক্রমী মণ্ডপ তৈরি করার চেষ্টা করে আসছে এরা৷ পূজার দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে কত রকমের যে ‘থিম’ হয়েছে তা এই পুজা মন্ডপে আসলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। তার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচতো রয়েছেই তার পাশাপাশি রিয়েছে অসাধ্য সাধন করার পরিশ্রমও৷ রূপকথার গল্প ‘আলিবাবা ও চল্লিশ চোর’-কে সকলের সামনে তুলে ধরতে এক পূজামণ্ডপ তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা৷

এই থিম যুদ্ধে পিছিয়ে নেই পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরও।

দাসপুর থানার সোনাখালির একটি পুজো মন্ডপ তৈরি করা হয়েছে ‘আলিবাবা ও চল্লিশ চোর’-এর গল্পকে অনুসরণ করে৷ বিশালাকার দুটি পাহাড় হল এই পুজোর মন্ডপ৷ প্রথম পাহাড় টপকে দ্বিতীয় পাহাড়ের সামনে গিয়ে ‘চিচিংফাঁক’ বললে তবেই খুলছে মণ্ডপের প্রবেশ পথ৷ ভেতরে রয়েছে ৪০ চোরের গুপ্তধন রাখার গুহার ছবি৷

দাসপুর থানার সোনাখালি স্কুলপাড়া সার্বজনীন দুর্গাউৎসবের এবার ১৬ তম বর্ষ৷ প্রতি পূজাতেই কিছু না কিছু ব্যতিক্রমী মণ্ডপ তৈরি করার চেষ্টা করে এরা৷ রূপকথার ‘আলিবাবা ও চল্লিশ চোর’-এর গল্পকে সকলের সামনে তুলে ধরতে এই পূজা মন্ডপের নির্মাণ কাজে খরচ হয়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা৷

এই মণ্ডপটি আয়তন ও উচ্চতায় এতোটাই বড় যে, দূর থেকে দেখে মনে হবে সত্যিই দুটো পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে৷ চটের উপর রং করে এই পাহাড়গুলি তৈরি করা হয়েছে৷ প্রথম পাহাড় পার হয়ে কিছুটা এগুলেই দ্বিতীয় পাহাড়৷ সেটার সামনে গিয়ে ‘চিচিংফাঁক’ বললে নিজ থেকেই পাহাড়ের মুখ খুলে যাচ্ছে৷ দেখা যাচ্ছে রাস্তাও৷ সেই পথ ধরে এগোলেই গুহার ভেতরে রয়েছে নানা দস্যুদের মূর্তি৷ আলো-আঁধারি পথে চলতে গেলে শরীরে লাগবে ঠান্ডা হাওয়াও৷ গুহার ভেতরে শেষ প্রান্তে থাকছে পুরনো দিনের পাহাড়ি পাথুরে মাতৃমূর্তি৷

পূজা কমিটির সদস্য শংকর চক্রবর্তী বলেন, ‘আধুনিক টিভি-মোবাইলের যুগে সকলেই রূপকথা থেকে সরে এসেছে৷ শিশুরাও ভুলতে বসেছে৷ সকলকে মনে করিয়ে দিতেই আমাদের এবারের এমন আয়োজন৷ তবে পুজো দেখতে আসা মানুষের ভিড় প্রচুর। যার ফলে একবার চিচিংফাঁক বলা হলে দরজা খুলে রাখা হয় একটানা৷ আর এই দরজা চিচিংফাঁক ছাড়া অন্য কোনও শব্দেই খুলবে না৷’


বিডি-প্রতিদিন/১০ অক্টোবর, ২০১৬/তাফসীর

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow