Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৮ জুলাই, ২০১৮ ১৪:২১ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৮ জুলাই, ২০১৮ ১৫:৩৫
অবশেষে দেশে ফিরল পশ্চিমবঙ্গের হোমে থাকা ৪ কিশোর
দীপক দেবনাথ, কলকাতা
অবশেষে দেশে ফিরল পশ্চিমবঙ্গের হোমে থাকা ৪ কিশোর

কেউ দেড় বছর, কেউ বা তারও বেশি সময় ধরে আটক ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটে সরকারি হোম ‘শুভায়ন’ হোমে। অবশেষে দীর্ঘ সময় পরে বাংলাদেশে বাবা-মা সহ স্বজনদের কাছে ফিরে গেল ওই হোমে আটক থাকা ৪ বাংলাদেশি কিশোর। 

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের হিলি সীমান্ত দিয়ে এই ৪ কিশোরকে বিজিবি’এর হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। এর আগে হোম থেকে কিশোরদের এসকর্ট করে হিলি সীমান্তে নিয়ে আসা হয়। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন হিলি (ভারত) ইন্টিগ্রেটেড চেক পোাস্ট (আইসিপি) ওসি শিপ্রা রায়, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আইনি পরিষেবা কর্মকর্তা বিচারপতি সৌমেন্দ্রনাথ রায়, জেলা ‘চাইল্ড লাইন’এর সেন্টার কোঅর্ডিনেটর সুরজ দাস, ডিস্ট্রিক্ট চাইল্ড প্রোটেকশন ইউনিট (ডিসিপিইউ)-এর সুবোধ দাস, হিলি (বাংলাদেশ) ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (আইসিপি) ওসি আখতাব হোসেন, বিএসএফ ও বিজিবি’র কর্মকর্তারা। সন্তানদের নিতে সীমান্তে উপস্থিত ছিলেন প্রত্যেকটি শিশুর অভিভাবকরাও। 

নিজের দেশে ফেরত যাওয়া ৪ বাংলাদেশি কিশোর হল ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার পান্থপাড়ার বাসিন্দা মো. শাহ জামাল (১৭), দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার শাহেবপাড়ার বাসিন্দা রাশিদুল ইসলাম (১৩), নওগাঁর রহমানপুর থানার কাশীপুরের বাসিন্দা মো. সাগর হোসেন (১২) ও ইমন ইসলাম (১৪)।

জানা গেছে, প্রায় দুই বছর ধরে বিনা পাসপোর্টে নেপালে কাজ করে দেশে ফেরার পথে ২০১৬ সালের ২৮ অগাস্ট হিলি সীমান্তে ধরা পরে মো. শাহ জামাল। প্রথমে তাকে পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাট সংশোধনাগারে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে ওই কিশোর নাবালক প্রমাণিত হওয়ায় তাকে আদালতের নির্দেশে গত বছরের জানুয়ারি মাসে শুভায়ন হোমে পাঠানো হয়। সব মিলিয়ে প্রায় তেইশ মাস পর নিজের দেশে ফিরলো শাহ জামাল। 

অন্যদিকে, কাজের সন্ধানে বন্ধুদের সাথে ভারতে আসে সাগর ও ইমন। কিন্তু অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে গত বছরের জুন মাসে হিলি সীমান্তে বিএসএফ’এর হাতে আটক হয় ওই দুই কিশোর। পরে স্থান হয় শুভায়ন হোমে। আর চতুর্থ কিশোর রাশিদুল ইসলামও কাজের সন্ধানে ভারতে আসার পথে হিলি সীমান্তে আটক হয়। অবশেষে দীর্ঘ প্রায় আঠারো মাস পর সেও ফিরে গেল নিজ দেশে। 


বিডি-প্রতিদিন/১৮ জুলাই, ২০১৮/মাহবুব

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow