Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ১২:৩৭ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ১৩:৪৩
কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে শোক দিবস পালিত
কলকাতা প্রতিনিধি:
কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে শোক দিবস পালিত

বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে তাকে স্মরণ করছে কলকাতা। এ উপলক্ষে বুধবার কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের উদ্যোগে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আজ সকালে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান। 

এরপর সকাল ৮ টায় বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত ইসলামিয়া কলেজের (বর্তমান মওলানা আজাদ কলেজ) বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষে স্থাপিত তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান ডেপুটি হাইকমিশনারসহ অন্যরা। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) মোফাকখারুল ইকবাল, কাউন্সেলর বি.এম জামাল হোসেন, কাউন্সেলর শাহনাওয়াজসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। পরে জাতির জনক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বেকার হোস্টেলের ২৩ এবং ২৪ নম্বর যে ঘর দুইটিতে বঙ্গবন্ধু থাকতেন, সেই ঘর দুইটিও ঘুরে দেখেন মিশনের কর্মকর্তারা। 

ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান বলেন, ‘আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর প্রয়াণ দিবস হলেও আসলে বঙ্গবন্ধুকে হারানোর যে শোক, তাকে শক্তিতে পরিণত করে বাংলাদেশকে তার স্বপ্নের দেশ হিসাবে গড়ে তোলার আত্মনিবেদন করছি। তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা আমাদেরকে যে দুইটি ভিশন দিয়েছেন (২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে উপনীত হওয়া) তার দিকে আমরা অগ্রসর হচ্ছি।’  

এছাড়াও সোনালী ব্যাংক (কলকাতা শাখা) ও বাংলাদেশ বিমানের পক্ষ থেকেও বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এদিকে এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শিক্ষার্থী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (ভারত শাখা)-এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করা হয়েছে। 

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের ভারত শাখার প্রতিনিধি আরাফাত হোসেন আবির বলেন, ‘চলতি বছরে ৪ জানুয়ারী ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দুই দিন আগে ভারতে পাঠরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। নাম দেওয়া হয়েছে ছাত্রলীগের ভারত শাখা। এটি প্রতিষ্ঠাতাকালীন কমিটি। সেই কমিটি তৈরির পর এই প্রথম শোক দিবস পালন করলাম। 

আরাফাত হোসেন আরও জানান ‘যতদিন বাংলাদেশের মানচিত্র থাকবে, যতদিন এই দেশ থাকবে-ততদিনই বঙ্গবন্ধু থাকবেন। কারণ বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু অভিন্ন। যে মানুষটির জন্যই আজ আমরা স্বাধীন। তার স্মরণে বাঙালি ছাত্র সমাজ, বাংলার আপামর সাধারণ মানুষ শোকের সাথে তাঁকে স্মরণ করে থাকে। বঙ্গবন্ধুর যে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন ছিল-তার সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে তার রূপায়ণ বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। আমরা চাই দেশনেত্রী হাসিনার নেতৃত্বে সেই বাস্তবায়ের অগ্রগতি অব্যাহত থাকুক।’ 

বেলা ১০ টা থেকে ডেপুটি হাইকমিশনের সভাঘরে ‘স্বেচ্ছায় রক্তদান’ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ডেপুটি হাইকমিশনের উদ্যোগে আগামী ১৬ আগষ্ট বিকালে মওলানা আজাদ কলেজের রেজা আলি ওয়ামাথ হল-এ ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।  

 

বিডি প্রতিদিন/১৫ আগষ্ট ২০১৮/হিমেল

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow