Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:২৮ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:৩৯
'সোশ্যাল মিডিয়াকে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করা উচিত'
দীপক দেবনাথ, কলকাতা :
'সোশ্যাল মিডিয়াকে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করা উচিত'

ভুয়া খবর ঠেকাতে একাধিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে বাংলাদেশ সরকার। এ ব্যাপারে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ফেসবুক, ইউটিউব বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল মিডিয়াগুলির সাথে সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বুধবার কলকাতার একটি হোটেলে ‘সাইবারকন ২০১৮ এন্ড টেকনোলজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে একথা বলেন তিনি।

তিনি জানান, ‘যারা ভুয়া খবর তৈরি করে বা মিথ্যা অপপ্রচার করে তারা মানসিক ভাবে সুস্থ নয়। আর সেদিকটি খেয়াল রেখেই দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ফেসবুক, ইউটিউবসহ যেসব মাধ্যমগুলি দিয়ে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে তাদের সাথে কোলাবরেশন বা পার্টনারশিপ করার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে।’

মন্ত্রী জানান ‘বাংলাদেশের ১ লাখ ৭০ হাজার স্কুল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদেরকে কিভাবে অনলাইন ও অফলাইনে সাইবার সিকিউরিটি এবং ডিজিটাল লিটারেসিকে গুরুত্ব দেওয়া যায় সেটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ‘ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার’ প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই সেন্টারের মাধ্যমেই বাংলাদেশের মানুষকে অনলাইন ও অফলাইলনে ইন্টারনেটের ব্যবহার, তার সুফল ও কুফল ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনা বৃদ্ধি করা হবে। ইতিমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এ সম্পর্কিত একটি প্রোগ্রামও হাতে নেওয়া হয়েছে।’

অন্যদিকে ভুয়া খবর ঠেকাতে ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো অ্যাপস প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে উদ্যোগ নিতে বললেন পশ্চিমবঙ্গের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এদিন ওই একই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন ‘সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলিকে আরও দায়িত্ববান ও কঠোর হওয়া উচিত। ভুয়া খবর তৈরি করছে বা ছড়ানোর সাথে যুক্ত তাদের চিহ্নিতকরণ করে নিষিদ্ধ করা উচিত।’ বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের আগে এই ধরনের ভুয়া খবর প্রভাব ফেলবে না বলেও অভিমত দেন পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী। তিনি বলেন ‘এটা ঠিক যে নির্বাচনের আগে এই সেলগুলি খুবই সক্রিয় হয়ে ওঠে ও এই ধরনের প্রোপাগান্ডা চালাতে থাকে। তবে নির্বাচনে খুব একটা সমস্যা ফেলতে পারবে না বলেই মনে হয়।’

এদিনের অনুষ্ঠান থেকে দক্ষিণ কলকাতার মাঝেরহাট ব্রিজ ভেঙে হতাহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন পলক।

বণিকসভা ‘অ্যাসোসিয়েটেড চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব ইন্ডিয়া’ (অ্যাসোচেম) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত প্রধান সচিব দেবাশিস সেন, অ্যাসোচেম টেকলনজি কাউন্সিল (পূর্ব) চেয়ারম্যান নবীন জয়সওয়াল, অ্যাসোচেম’এর পূর্ব ও উত্তরপূর্ব ডিরেক্টর পারমিন্দর জিৎ কাউর, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার তৌফিক হাসান প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow