Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ১ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ৩১ মে, ২০১৬ ২৩:৩৪
সপ্তবর্ণা উৎসবে ‘বিবাহ প্রস্তাব’
সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক
সপ্তবর্ণা উৎসবে ‘বিবাহ প্রস্তাব’

সপ্তাহব্যাপী ‘সপ্তবর্ণা নাট্য উৎসব’-এর চতুর্থ সন্ধ্যায় গতকাল মঞ্চায়ন হলো উত্তরা কালচারাল সোসাইটির নাটক ‘বিবাহ প্রস্তাব’। সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে মঞ্চায়ন হয় এ নাটকটি। আন্তনু চেখভের রচনায় নাটকটির রূপান্তর ও নির্দেশনায় ছিলেন গোলাম সারোয়ার। ঠাটা মুন্সী নামে এক প্রতিহিংসাপরায়ণ লোক গ্রামে বাস করে। সে সব সময় তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত থাকে এবং অন্যের জমি দখলের পাঁয়তারা করে। এক সময় সে দীর্ঘদিনের শত্রু প্রতিবন্ধী ছকিমুদ্দিনের কাছে ছমিরনকে বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে যায়। ঠাটা পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঝগড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই বিয়েতে ছমিরনের পরিবারের কেউ রাজি হয়  না। ঝগড়া করতে করতেই এক সময়ে ঠাটার প্রস্তাব মেনে নেয় দীর্ঘদিনের শত্রু পরিবারটি। হাস্য-রসাত্মক ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় নাটকের কাহিনী। ‘বিবাহ প্রস্তাব’-এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুনায়েদ ইউসুফ, রবিউল মাহমুদ ইয়ং, মিলি মুন্সী প্রমুখ। ৩ জুন শেষ হবে সাত দিনের এ নাট্য উৎসব।

এশিয়াটিকের ‘ঢাকায় গেরিলাযুদ্ধ ১৯৭১’ : ঢাকার ৪০০ বছর উদযাপন কর্মসূচির আওতায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রকাশ করেছে ‘ঢাকায় গেরিলাযুদ্ধ ১৯৭১’। বইটির প্রধান সম্পাদক ড. শরীফ উদ্দিন আহমেদ। অন্য সম্পাদকরা হলেন- ড. আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন ও ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী। এ ছাড়া সম্পাদনা পরিষদে রয়েছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. এ এফ সালাহ উদ্দীন আহমদ ও ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান। গতকাল বিকালে এশিয়াটিক সোসাইটির মিলনায়তনে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান।

সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান বলেন, বইটিতে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা গেরিলা যোদ্ধাদের সম্পর্কে বিশেষ ধারণা দেবে। ১৯৭১ সালের ৮ জুন থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা যোদ্ধাদের অবদান অনস্বীকার্য। এশিয়াটিক সোসাইটি এসব গেরিলাদের নিয়ে বই প্রকাশ করে জাতির কাছে কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ হলো। এ বইয়ে ঢাকার ১৭ জন গেরিলা যোদ্ধার সাক্ষাত্কার নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে গেরিলা যোদ্ধাদের বেশ কয়েকজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।




up-arrow